Connect with us

দেশ

সুপ্রিম নির্দেশের পর কেন্দ্রকে বকেয়ার আংশিক মেটাল টেলিকম সংস্থাগুলি

vodafoneairtel

ওয়েবডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশের পর বকেয়া অর্থের প্রথম কিস্তি টাকা জমা দিল এয়ারটেল, ভোডাফোন আইডিয়া এবং টাটা টেলিসার্ভিসেস। সব মিলিয়ে তিনটি টেলিকম সংস্থা এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রকে মোট ১৪,৬৯০ কোটি টাকা জমা দিয়েছে।

এর মধ্যে প্রথম পদক্ষেপটিই করে এয়ারটেল। সোমবার সকালেই ১০,০০০ কোটি টাকা মিটিয়ে দিয়েছে তারা। সোমবার রাতের দিকে ভোডাফোন আইডিয়া প্রায় ২৫০০ কোটি এবং টাটারা ২,১৯০ কোটি টাকার বেশি মিটিয়ে দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে আরও ১,০০০ কোটি টাকা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ভোডাফোন আইডিয়া কর্তৃপক্ষ।

এজিআর অর্থাৎ ‘অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউ’ বাবদ এই টেলিকম সংস্থাগুলির থেকে কেন্দ্রের মোট ১ লক্ষ ৪৭ হাজার কোটি টাকা পাওনা। এর মধ্যে ভারতী এয়ারটেল, ভোডাফোন আইডিয়া এবং টাটা টেলিসার্ভিসেসের থেকে কেন্দ্রের প্রাপ্য অর্থের পরিমাণ ১ লক্ষ কোটি টাকার বেশি।

আরও পড়ুন দল ছাড়ার হিড়িক, বন্ধ হয়ে গেল বিজেপির একমাত্র দলীয় কার্যালয়টিও

এর মধ্যে ভোডাফোন আইডিয়ার কাছ থেকে মোট ৫৩,০০০ কোটি টাকা প্রাপ্য। আর টাটাদের থেকে কেন্দ্রের প্রাপ্য ১৩,৮০০ কোটি টাকা। অন্য দিকে ১০ হাজার কোটি টাকা মেটানোর পর আর ২৫ হাজার কোটি টাকা মেটাতে হবে এয়ারটেলকেও।

উল্লেখ্য, গত ২৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল, তাতে ২৩ জানুয়ারির মধ্যে টেলিকম সংস্থাগুলিকে প্রায় ১ লক্ষ ৪৭ হাজার কোটি টাকা পুরোনো বকেয়া কেন্দ্রকে মিটিয়ে দিতে হত। কিন্তু সময়সীমা পেরোনোর পরেও সেই বকেয়া না মেটানোয় গত শুক্রবার টেলিকম সংস্থাগুলিকে তীব্র ভর্ৎসনা করে আদালত।

দেশ

নতুন নিয়মে খুলছে তাজমহল!

সৌধগুলিতে প্রবেশের জন্য প্রত্যেক দর্শনার্থীকে অবশ্য়ই মাস্ক পরতে হবে। প্রবেশ পথে থাকবে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা।

ওয়েবডেস্ক: প্রায় সাড়ে তিন মাস বন্ধ থাকার পর ফের খুলছে তাজমহল। সূত্রের খবর, কোভিড-১৯ মহামারির (Covid-10 pandemic) মধ্যেই আগামী ৬ জুলাই থেকে ফের দর্শনার্থীদের প্রবেশাধিকার দেওয়া হতে পারে।

আগরার (Agra) পর্যটন শিল্পের বৃহত্তম অংশ নির্ভরশীল তাজমহলের (Taj Mahal) উপরেই। ফলে তা খুলে দেওয়া হলে এই শিল্পে নতুন করে প্রাণসঞ্চার হতে পারে।

আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (ASI) একটি সূত্র জানাচ্ছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধের যাবতীয় পদক্ষেপ বজায় রেখেই আনলক-২ পর্বেই তাজমহল খুলে দেওয়ার আশা করা হচ্ছে। তবে এ ব্যাপারে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে।

কী ভাবে খোলা হবে?

দু’টি শিফটে খোলা হতে পারে তাজমহল। প্রত্যেক শিফটে সর্বাধিক পাঁচ হাজার এবং আড়াই হাজার করে দর্শনার্থীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

একই ভাবে আগরা দুর্গেও সকালের শিফটে ১২০০ এবং দুপুরের শিফটে ১৩০০ দর্শনার্থীকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হতে পারে।

সৌধগুলিতে প্রবেশের জন্য প্রত্যেক দর্শনার্থীকে অবশ্য়ই মাস্ক পরতে হবে। প্রবেশ পথে থাকবে থার্মাল স্ক্রিনিংয়ের ব্যবস্থা। ভিতরের ঢোকার পরেও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আপাতত হাতে-হাতে টিকিটের পরিবর্তে ই-টিকিটিং ব্যবস্থাকেই বেছে নেওয়া হতে পারে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

বন্ধ হওয়ার আগে

গত ১৭ মার্চ থেকে দর্শনার্থীদের জন্য পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় তাজমহল।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে দর্শনার্থীর সংখ্যা হু হু করে কমতে শুরু করে। লকডাউনে ধর্মীয়, পর্যটনস্থানগুলি বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি দর্শনার্থীর সংখ্য়া হ্রাসও একটা বড়ো কারণ।

বিদেশি পর্যটকদের ভিসার উপর কড়াকড়ি শুরু হওয়ার পর তাঁরা আর আগের মতো ভিড় জমাতেন না।

বন্ধ হওয়ার সপ্তাহে সার্বিক দর্শনার্থীর সংখ্যায় উল্লেখ্য়নীয় পতন ঘটে। রবিবার ছুটির দিনে যেখানে ২৫ হাজারের বেশি দর্শনার্থীর সমাগম হতো, সেখানে ওই সপ্তাহে দর্শনার্থীর সংখ্যা ঠেকে ১৩ হাজারে। অথচ শনিবার তা ছিল ১৫ হাজারের বেশি, বৃহস্পতিবার ১৬ হাজারের বেশি। অন্য দিকে রবিবার বিদেশি দর্শনার্থীদের সংখ্যা স্বাভাবিক সময়ে তিন হাজারের কম-বেশি থাকলেও ওই সপ্তাহে তা হয় মাত্র ১২০০।

এক দিকে মারণ ভাইরাস নিয়ে দর্শনার্থীদের মনে সংশয় এবং অন্য দিকে বেশ কিছু কড়াকড়ি দর্শনার্থী সংখ্য়ায় ভাটার সৃষ্টি করে।

পর্যটনে খুশির খবর

টানা কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর ফের তাজমহল খোলার খবর শুনে আগরা টুরিস্ট ওয়েলফেয়ার চেম্বারের প্রেসিডেন্ট প্রহ্লাদ আগরওয়াল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আগরা পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত প্রায় চার লক্ষ মানুষ স্বস্তি পাবেন। আশা করা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা চালু হওয়ার পর পরিস্থিতি ধীরে হলেও আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে”।

অন্য দিকে টুরিজম গিল্ড অব আগরার চেয়ারম্যান হরি সুকুমার বলেন, “এই সিদ্ধান্ত সারা বিশ্বকে ইতিবাচক বার্তা দেবে-আগরা পর্যটকদের জন্য নিরাপদ”।

Continue Reading

দেশ

আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের কাঁপল দিল্লি

নয়াদিল্লি: ফের ভূমিকম্প হল রাজধানী দিল্লিতে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ এই কম্পনের জেরে মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। যদিও এই কম্পনের ফলে কোনো হতাহতের খবর নেই।

শুক্রবার এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৫। কেন্দ্রস্থল ছিল হরিয়ানার গুরুগ্রাম থেকে ৬৩ কিমি দূরে।

এপ্রিল থেকেই কম্পনের হিড়িক লেগেছে দিল্লি এবং তার আশেপাশের এলাকায়। সব কম্পনই ২ থেকে সাড়ে চার মাত্রার মধ্যে হয়েছে। এই কম্পনের কারণে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে যে আগামী দিনে আরও বড়ো কোনো কম্পন হবে কি না।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ছোটো কম্পনগুলো আসন্ন বড়ো কোনো কম্পনের ইঙ্গিত আদৌ দেয় না।

অন্যত্রও কম্পন

শুক্রবার ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ভূমিকম্প হয়েছে। এ দিন সকালে মিজোরামের চাম্ফাইয়ে ৪.৫ মাত্রার একটি কম্পন হয়। এর পর ৪.৪ মাত্রার একটি কম্পন হয় কার্গিলে। পাশাপাশি মহারাষ্ট্রেও এ দিন ৫.২ মাত্রার একটি কম্পন হয়। উৎসস্থল ছিল পুনে থেকে ২২৫ কিমি দূরে বারশিতে।

Continue Reading

দেশ

নাগাল্যান্ডে নিষিদ্ধ হল কুকুরের মাংস

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র চাপের মুখে পড়ে নতি স্বীকার করল নাগাল্যান্ড সরকার। রাজ্যে কুকুরের মাংস বিক্রির ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল।

শুক্রবার এই বিষয়েই টুইট করে নাগাল্যান্ডের মুখ্যসচিব টেনজেন টয় বলেন, “কুকুরের বাণিজ্যিক রফতানি এবং কুকুরের মাংস বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে রাজ্য সরকার। কাঁচা বা রান্না করা, কোনো ধরনের মাংসই আর বিক্রি করা যাবে না।”

উল্লেখ্য, কিছু দিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। ছবিতে দেখা যাচ্ছিল যে বস্তায় করে কুকুরদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে কুকুরগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন একজন টুইটার ব্যবহারকারী।

এই খবর প্রকাশ্যে আসতে হস্তক্ষেপ করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা গান্ধীও। কুকুর এ ভাবে আমদানি বা রফতানি বন্ধ করার জন্য নাগাল্যান্ড পুলিশের কাছেও আবেদন করেন মানেকা। এই নিয়ে হইচই শুরু হতেই মাংসের ওপরে নিষেধাজ্ঞা জারি হল নাগাল্যান্ডে।

উল্লেখ্য, উত্তরপূর্ব ভারতে, বিশেষত নাগাল্যান্ডে কুকুরের মাংস খুবই জনপ্রিয় একটা খাবার। এই মাংস খাওয়ার ব্যাপারে সরকারি কোনো আইনও নেই। এ ছাড়া খরগোশ আর বাঁদরের মাংসও ব্যাপক ভাবে খাওয়া হয় এই সব অঞ্চলে।

Continue Reading
Advertisement

নজরে