radhe maa

নয়াদিল্লি: ফের সংবাদ শিরোনামে চলে এলেন বিতর্কিত সাধ্বী রাধে মা। গুরমিত রাম রহিমের বাজারে অনেকেই হয়তো রাধে মা’র কীর্তিকলাপ ভুলে গিয়েছেন। এই রাধে মা নতুন একটি কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

সম্প্রতি একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে রাধে মা’র খাতিরদারি করছে দিল্লির বিবেক বিহার থানার পুলিশ। দেখা যাচ্ছে, বিবেক বিহার থানার স্টেশন হাউস অফিসার সঞ্জয় শর্মা তাঁর নিজের সিট রাধে মা-কে ছেড়ে দেন এবং তাঁর ওড়না নিজের গলায় পরে তাঁকে সম্মান দেখান। রাধে মা এই থানায় পৌঁছোলে তাঁকে ফুলের তোড়া দিয়ে অভ্যর্থনা জানায় পুলিশ।

তবে এ ছাড়াও বিতর্ক বারবার ছুঁয়েছে রাধে মা’কে। আসুন একবার দেখে নিই রাধে মা’র ব্যাপারে দশটি তথ্য।

১) পঞ্জাবের গুরদাসপুর জেলার ডোরাঙ্গল গ্রামে জন্ম হয় রাধে মা’র। চতুর্থ শ্রেণির পর স্কুল ত্যাগ করেন তিনি। সতেরো বছর পরে জনৈক মোহন সিংহের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বর্তমানে দুই পুত্র সন্তানের জননী রাধে মা। তাঁর এক ছেলে অভিনয় জগতে নাম লেখানোর চেষ্টা করছে।

২) শুরুতে খুব সাদামাঠা জীবন ছিল তাঁর। দর্জির কাজ করতেন তিনি।

৩) ২৩ বছর বয়সে হোশিয়ারপুরের ধর্মগুরু মহন্ত রাম রিন দাসের সান্নিধ্যে আসেন তিনি। এই ধর্মগুরুর কাছেই ‘রাধে মা’ উপাধি পান তিনি।

৪) তাঁর প্রিয় রঙ লাল। সব সময় লাল পোশাক পরেন তিনি। সঙ্গে থাকে একটি ছোটো ত্রিশুল।

৫) তাঁর ভক্তরা মনে করে তিনি মা দুর্গার অবতার। তাঁর ভক্তদের তালিকায় রয়েছেন পরিচালক সুভাষ ঘাই এবং ভোজপুরী অভিনেতা রবি কিষনও। তাঁর ওয়েবসাইটের মতে, তাঁর সব থেকে বড়ো দুই ভক্ত হলেন ‘ছোটে মা’ এবং ‘টাল্লি বাবা।’

৬) মুম্বইয়ের বোরিভালিতে ব্যবসায়ী সঞ্জীব গুপ্তার বাড়িতে থাকেন রাধে মা। ভক্তরা এই বাড়িটিকে ‘রাধে মা ভবন’ নাম দিয়েছেন। রাধে মা’র নামে একটি ট্রাস্টের দেখাশোনা করেন গুপ্তা। সেটি হল ‘শ্রী রাধে গুরু মা চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’।

৭) ২০১৫ সালে পণ সংক্রান্ত একটি মামলায় অভিযুক্ত হন রাধে মা। তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ জারি করে মুম্বই পুলিশ। অভিযোগ করেছিলেন সঞ্জীব গুপ্তার পুত্রবধু নিক্কি। নিক্কির থেকে পণ আদায় করার জন্য গুপ্তা এবং তাঁর স্ত্রীয়ের মগজধোলাই করেছিলেন রাধে মা, এমনই অভিযোগ করা হয়েছিল।

radhe

৮) ওই বছরেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে তাঁকে সমর্থন করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজয় সাম্পলা। রাধে মা আদৌ বিতর্কিত নন বলে সাফ জানিয়ে দেন তিনি। ওই মন্ত্রীর কথায়, “আমি রাধে মাকে শ্রদ্ধা করি এবং সম্মান করি। উনি বিতর্কিত নন। মিডিয়াই তাঁর বিরুদ্ধে গুজব ছড়ায়।”

৯) পণের পর যৌন নির্যাতনের অভিযোগও ওঠে রাধে মা’র বিরুদ্ধে। ওই অভিযোগ দায়ের করেন অভিনেত্রী ডলি বিন্দ্রা।

১০) ২০১৫ সালে তাঁর ওয়েবসাইট www.radhemaa.com হ্যাক করা হয়। সেখানে এমন কিছু ছবি দেওয়া হয় যেখানে দেখা যায় লাল রঙের মিনিস্কার্ট এবং বুট পরে রয়েছেন রাধে মা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here