নিজের দফতর। সেই দফতরের অধীনে কটেজ ইন্ডাস্ট্রি। সেখানকার শোরুমে গিয়ে নিজের জন্য শাড়ি ও একটি গণেশের মূর্তি কিনেছিলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। বিল হয়েছিল প্রায় ৮ লক্ষ টাকা। স্মৃতির এক ব্যক্তিগত কর্মচারী সেই বিল মেটানোর জন্য পৌঁছে দেন বস্ত্র দফতরের সচিব রশ্মী ভার্মার কাছে। কিন্তু সচিব রাজি হননি। তাঁর বক্তব্য, মন্ত্রীর ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য কেনা কোনও জিনিসের বিল দফতরের মেটানোর কথা নয়। রেগে যান নানা বিতর্ক পেরিয়ে শিক্ষা থেকে বস্ত্র দফতরে আসা মন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, নিজের দফতরের অধীনে থাকা কটেজ ইন্ডাস্ট্রির তৈরি শাড়ি পড়ার সম্পূর্ণ অধিকার তাঁর রয়েছে এবং এর জন্য দফতরের বিল মেটাতে কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।

দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে সচিব রশ্মী ভার্মা বিষয়টি ক্যাবিনেট সচিবকে জানান, খবর পৌঁছয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরেও। স্মৃতির আচার-ব্যবহার মোটেও ভাল নয়, তাই তাঁর পক্ষে এই মন্ত্রীর দফতরে কাজ করা সম্ভব নয় বলেও ক্যাবিনেট সচিবকে জানান বস্ত্র সচিব।

এই গোটা খবরটাই রবিবার ইন্ডিয়া সম্‌বাদ নামে একটি নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হয়। তারপরই চাঞ্চল্য তৈরি হয় দিল্লিতে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, ওই রিপোর্ট ঠিক নয়। বস্ত্র সচিব জানিয়ে দেন, তিনি এমন কোনও বিল পাননি। কটেজ ইন্ডাস্ট্রির অধিকর্তাও জানিয়ে দেন, এমন কোনও বিল তৈরিই হয়নি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here