Connect with us

দেশ

সুপ্রিম কোর্টের যে পাঁচ বিচারপতি অযোধ্যা মামলার রায় দিলেন

ওয়েবডেস্ক: প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ-এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ শনিবার অযোধ্যার মন্দির-মসজিদ শীর্ষক মামলার রায় ঘোষণা করেছে। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, বেঞ্চের পাঁচ সদস্যের সংক্ষিপ্ত পেশাগত পরিচয়।

রঞ্জন গগৈ:

১৯৭৮ সালে আইনজীবীর পেশায় যোগ দিয়েছিলেন এবং মূলত গুয়াহাটি উচ্চ আদালতে অনুশীলন করতেন তিনি। ২০০১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি গুয়াহাটি উচ্চ আদালতের স্থায়ী বিচারক নিযুক্ত হন। ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১০-এ, গগৈকে পঞ্জাব ও হরিয়ানা হাইকোর্টে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তিনি ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রধান বিচারপতি হন। গত ২০১২ সালের ২৩ এপ্রিল তাঁকে সুপ্রিম কোর্টের বিচাপতিপদে উন্নীত করা হয়। ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিপদে নিযুক্ত হন, আগামী ১৭ নভেম্বর গগৈ অবসর নিচ্ছেন।

এস এ ববদে:

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিপদে দায়িত্বভার গ্রহণ করছেন আগামী ১৮ নভেম্বর। তিনি ১৯৭৮ সালে মহারাষ্ট্রের বার কাউন্সিলে যোগ দেন এবং বোম্বে হাইকোর্টের নাগপুর বেঞ্চে অনুশীলনের পর সুপ্রিম কোর্টে যোগ দেন। ২০০৯-এর ২৯ মার্চ তাঁকে অতিরিক্ত বিচারক হিসাবে বোম্বে হাইকোর্টের বেঞ্চে উন্নীত করা হয়। ২০১২ সালের ১৬ অক্টোবর তিনি মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন। বিচারপতি ববদেকে ২০১৩ সালের ১২ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসাবে নিযুক্ত করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিপদ থেকে তিনি অবসর নেবেন ২০২১ সালের ২৩ এপ্রিল।

ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়:

তিনি অতীতে একাধিক সংবিধান বেঞ্চের সদস্য ছিলেন এবং মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বিষয়গুলিতে উদার দৃষ্টিভঙ্গির জন্য খ্যাত। চন্দ্রচূড় মহারাষ্ট্র জুডিশিয়াল একাডেমির পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ১৯৯৯ সালের জুনে তাঁকে বোম্বে হাইকোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনোনীত করা হয়। ২০০০ সালের ২৯ মার্চ বোম্বে হাইকোর্টের বিচারপতিপদে নিযুক্ত করার আগে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতের অতিরিক্ত সলিসিটার জেনারেল ছিলেন। ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর চন্দ্রচূড় এলাহাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন এবং ২০১৬ সালের ১৩ মে তাঁকে সুপ্রিম কোর্টে উন্নীত করা হয়।

অশোক ভূষণ:

১৯৭৯ সালে তিনি এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৯ সালের এপ্রিলে উত্তরপ্রদেশের বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসাবে যোগ দেন। এরপর ভূষণ বেঞ্চে অন্তর্ভুক্ত না হওয়া পর্যন্ত এলাহাবাদ হাইকোর্টে অনুশীলন শুরু করেন। একই সঙ্গে তিনি এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজ্য খনিজ উন্নয়ন কর্পোরেশন লিমিটেড এবং বিভিন্ন পুর বোর্ড, ব্যাঙ্ক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী পরামর্শদাতা হিসাবে কাজ করেছিলেন। তিনি এলাহাবাদ হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারক হিসাবে উন্নীত হন। ২০১৪ সালের ১০ জুলাই কেরল হাইকোর্টের বিচারক হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন এবং ১ আগস্ট, ১০১৪-য় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। পরের বছরের ৩ মার্চ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন।

এস আবদুল নাজির:

বেঞ্চে একমাত্র মুসলিম বিচারক, তিনি ১৯৮৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি আইনজীবী হিসাবে নাম নথিভুক্ত করেন। নাজির কর্নাটক হাইকোর্টে অনুশীলন করতেন। ২০০৩ সালের ১২ মে কর্নাটক হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক এবং ২০০৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি স্থায়ী বিচারক হিসাবে নিযুক্ত হন। ২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হিসাবে উন্নীত হন।

দেশ

করোনা মহামারিতে ‘ফুচকা’র জন্য গলা শুকোচ্ছে? এসে গেল ‘এটিএম’

বাজারে শুকনো ফুচকা দেদার বিকোলেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে তা খাওয়া মোটেই উচিত নয় বলে মনে করছেন অনেকে।

ওয়েবডেস্ক: করোনাভাইরাস মহামারির (Coronavirus pandemic) আবহে রাস্তায় বেরিয়ে ফুচকার জন্য হা-পিত্যেশ করেন, এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। তবে তাঁদের জন্য এ বার সুখবর। এসে গেল ‘ফুচকা এটিএম’!

পানিপুরি, গোলগাপ্পা অথবা ফুচকা- যে নামেই ডাকা হোক না কেন, ভারতের বিভিন্ন জায়গাতেই এই রসালো খাবারটির যথেষ্ট সমাদর রয়েছে। কিন্তু করোনার কারণে, বাজারে শুকনো ফুচকা দেদার বিকোলেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে তা খাওয়া মোটেই উচিত নয় বলে মনে করছেন অনেকে। লকডাউন পার হয়ে আনলক পর্যায়েও হাতে ঠেলা গাড়ির ফুচকা খেতে অধিকাংশ মানুষই নিশ্চয় খুব একটা আগ্রহ দেখাবেন না। তবে সেটা যদি হয় এটিএম অথবা ভেন্ডিং মেশিনের আদলে, তা হলে তো আর অন্য কোনো সংশয় থাকছে না।

গুজরাতের বানসকণ্ঠ জেলায় এ রকমই এক ‘কন্ট্যাক্টলেস পানিপুরি ভেন্ডিং মেশিন’ তৈরি হয়েছে।

সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হতেই তা ভাইরালও হয়ে গিয়েছে। নেটিজেনরা পানিপুরির প্রত্যাশায় প্রায় হামলে পড়ে মন্তব্য করতে শুরু করেছেন। অসম পুলিশের এডিজিপি-সহ অনেকেই ওই ভিডিয়োটি শেয়ার করেছেন।

ওই ভিডিয়োয় দেখা যাচ্ছে, একজন মেশিনটিতে ২০ টাকার একটি নোট ঢোকালেন। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পরই মেশিন থেকে পানিপুরি বেরিয়ে আসছে। জানা গিয়েছে, মেশিনটি তৈরি করতে ছ’মাস সময় লেগেছে।

Continue Reading

দেশ

‘আত্মনির্ভর ভারত অ্যাপ ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’ চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

ওয়েবডেস্ক: শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) বিশ্বমানের ভারতীয় অ্যাপ তৈরির উদ্দেশে ‘আত্মনির্ভর ভারত অ্যাপ ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’ (Aatmanirbhar Bharat App Innovation Challenge) চালু করলেন।

কেন্দ্রীয় বিদ্যুতিন এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক এবং অটল ইনোভেশন মিশনের উদ্যোগে এই কর্মসূচিটি নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, বিশ্বমানের অ্যাপ তৈরিতে এ দেশের প্রযুক্তি এবং স্টার্ট-আপ সম্প্রদায়ের মধ্যে যথেষ্ট উৎসাহ রয়েছে।

টুইটারে তিনি লিখেছেন, “আজ বিশ্বমানের মেড ইন ইন্ডিয়া অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার জন্য প্রযুক্তি ও স্টার্ট-আপ সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচুর উৎসাহ রয়েছে। তাদের ধারণা এবং পণ্যগুলির সুবিধার্থে ভারত সরকার এই অ্যাপ উদ্ভাবনী চ্যালেঞ্জ চালু করছে”।

অন্য একটি টুইটে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়কে অংশগ্রহণে আহ্বানও জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “আপনার কাছে যদি এই ধরনের কার্যকরী পণ্য থাকে বা আপনি যদি এই জাতীয় পণ্য তৈরির জন্য আপনার দৃষ্টি এবং দক্ষতা অনুভব করেন, তবে এই চ্যালেঞ্জটি আপনার জন্য”।

আচমকা কেন অ্যাপ চ্যালেঞ্জ?

ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার রেশ ধরে গত সোমবার রাতে ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে ভারত সরকার। ওই চিনা অ্যাপগুলি বন্ধ হওয়ার পর তাৎক্ষণিক ভাবে বেশ কিছু ভারতীয় অ্যাপের ডাউনলোড সংখ্যাও আচমকা বেড়ে যায়। এর আগেই আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন মোদী। শিল্পোৎপাদন ক্ষেত্র থেকে নির্মাণে বিদেশি নির্ভরতা কমিয়ে দেশীয় ক্ষেত্রের বিকাশের জন্য প্যাকেজও ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। এ বার তারই সঙ্গে যুক্ত হল সরকারি সহযোগিতায় ভারতীয় অ্যাপ তৈরির নতুন উদ্যোগ।

অ্যাপ নিষিদ্ধ করে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বলা হয়েছে, “ভারতের সার্বভৌমত্ব ও সংহতি, প্রতিরক্ষা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং জনশৃঙ্খলার পক্ষে ক্ষতিকর” ৫৯টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হল।” তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ কোনো রাখঢাক না রেখেই জানিয়েছেন, “আমরা চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে দেশের মানুষের তথ্য সুরক্ষিত করেছি। এটা ছিল ডিজিটাল স্ট্রাইক (digital strike)”।

অন্য দিকে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, চিনা অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ হওয়ার ফলে দেশের প্রায় সাড়ে তিন হাজার প্রযুক্তিকর্মী কাজ হারাতে বসেছেন।

আরও পড়তে পারেন: ভারত অ্যাপ নিষিদ্ধ করতেই চিনের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছে টিকটক

Continue Reading

দেশ

১৫ আগস্ট? করোনা ভ্যাকসিনের দিনক্ষণ বেঁধে দেওয়া নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল আইসিএমআর

ফের বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে একপ্রকার ‘বাধ্য’ হল আইসিএমআর।

ওয়েবডেস্ক: ১৫ আগস্ট ভারতে তৈরি প্রথম করোনা-ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাক্সিন’ (Covaxin) বাজারজাত করার কথা জানিয়েছিল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)। যা নিয়ে প্রবল বিতর্কের পর শনিবার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কাউন্সিল।

আইসিএমআরের ডিরেক্টর জেনারেল (DG-ICMR) ড: বলরাম ভার্গব ১২টি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়ে কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষানিরীক্ষার কাজ দ্রুত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সরকারের নজরদারিতে পরিচালিত এই কাজে বিলম্ব ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়। কিন্তু নতুন একটি ভ্যাকসিন (Vaccine) তৈরি করতে যে ধাপগুলি অতিক্রিম করতে হয়, তা এ ভাবে দ্রুতগতিতে সম্ভব নয় দাবি করে আইসিএমআরের নির্দেশের সমালোচনা করেন চিকিৎসা-বিশেষজ্ঞ এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব। এর পরই ফের বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে একপ্রকার ‘বাধ্য’ হল আইসিএমআর।

এ দিন আইসিএমআরের তরফে জানানো হয়, “ডিরেক্টর জেনারেলের চিঠির উদ্দেশ্য ছিল, কোনো ভাবেই যেন ভ্যাকসিনটির পরীক্ষানিরীক্ষা নিয়ে অযথা বিলম্ব না করা হয়। অপ্রয়োজনীয় ভাবে যাতে এই প্রক্রিয়া লাল ফিতের গেরোয় আটকে না থাকে, সে কারণেই ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষানিরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়োগ যাতে দ্রুতগতিতে করা যায়, সে বিষয়টিও লক্ষ্য রাখা হয়েছিল।”

আরও স্পষ্ট করে এ দিন বলা হয়, “লাল ফিতের গেরোয় আটকে যাতে ভারতের বাজারে আসতে চলা কোভিড-১৯ সংক্রান্ত কোনো ওষুধ অথবা টেস্টিং কিটের পথে অন্তরায় না সৃষ্টি হয়, সে কারণেই এই নির্দেশ। এর মূল উদ্দেশ্য- কোনো রকমের বিলম্ব না ঘটিয়ে যত দ্রুত সম্ভব বিশাল জনসংখ্যার কাছে এগুলি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়”।

একই সঙ্গে বলা হয়, “ভারতে ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে সমস্ত পদক্ষেপ সঠিক ভাবে নেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোনো অযৌক্তিক কারণে যাতে ভ্যাকসিন তৈরিতে দেরি না হয়, সে দিকে নজর রাখা হচ্ছে। কিন্তু আইসিএমআর-এর পেশাদারিত্বকে কেন প্রশ্নের মুখে তোলা হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ করছে। একই পথে হাঁটছে ভারতও। তবে ভ্যাকসিন তৈরি এবং ট্রায়ালের ক্ষেত্রে যাতে কোনো রকম ভাবে কোন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বাদ না যায়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যান্য দেশে যে ভাবে পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে, এখানেও সেই রীতি মেনেই করা হবে”।

আইসিএমআরের নির্দেশের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বলা হয়, “মন্তব্যকারীদের উত্থাপিত বিষয়গুলিকে স্বাগত জানানো হয়েছে, কারণ তাঁদের মন্তব্যও এই প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে ভারতের জনগণের স্বার্থ এবং সুরক্ষায় অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে”।

সমালোচকরা কী বলেছিলেন?

দেখুন এখানে ক্লিক করে: “১৫ আগস্টেই বাজারে আসবে, তবে ২০২১-এ,” কোভ্যাক্সিন নিয়ে সরকারি সময়সীমার তীব্র নিন্দা বিশেষজ্ঞদের

Continue Reading
Advertisement
কলকাতা6 hours ago

শর্ট সার্কিট থেকে আগুন, বেহালায় পুড়ে মৃত্যু মা-মেয়ের

দেশ7 hours ago

করোনা মহামারিতে ‘ফুচকা’র জন্য গলা শুকোচ্ছে? এসে গেল ‘এটিএম’

দেশ7 hours ago

‘আত্মনির্ভর ভারত অ্যাপ ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’ চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

রাজ্য7 hours ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড রাজ্যে, সুস্থতাতেও রেকর্ড

দেশ8 hours ago

১৫ আগস্ট? করোনা ভ্যাকসিনের দিনক্ষণ বেঁধে দেওয়া নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল আইসিএমআর

ক্রিকেট8 hours ago

করোনা পিছু ছাড়ছে না মাশরাফি বিন মুর্তজার

দেশ9 hours ago

পাশের আসনে বসা নেতা করোনা আক্রান্ত! বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে উদ্বেগ

LPG
প্রযুক্তি10 hours ago

রান্নার গ্যাসের ভরতুকির টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে কি না, কী ভাবে দেখবেন?

দেশ18 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২২,৭৭১, সুস্থ ১৪,৩৩৫

দেশ2 days ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড, সুস্থতাতেও রেকর্ড

ক্রিকেট3 days ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

ক্রিকেট3 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হল কুমার সঙ্গকারা, মাহেলা জয়বর্ধনকে

কলকাতা16 hours ago

কলকাতায় অতিসংক্রমিত ১৬টি অঞ্চলকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়ার প্রস্তুতি

SBI ATM
শিল্প-বাণিজ্য2 days ago

এসবিআই এটিএমে টাকা তোলার নিয়ম বদলে গেল

দেশ2 days ago

‘সবার টিকা লাগবে না, আর পাঁচটা রোগের মতোই চলে যাবে করোনা’, আশ্বাস অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীর

wfh
ঘরদোর1 day ago

ওয়ার্ক ফ্রম হোম করছেন? কাজের গুণমান বাড়াতে এই পরামর্শ মেনে চলুন

নজরে