Atal Bihari Vajpayee
প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

ওয়েবডেস্ক: বিগত ২৭ বছরের মধ্যে এত বড়োমাপের কোনো শেষকৃত্যের আয়োজন করতে হয়নি দিল্লি পুলিশকে। যে কারণে গত বৃহস্পতিবার প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াকে মসূণ পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে দিল্লি পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছিল এ দিন রাত থেকেই। জানা গিয়েছে, দিল্লি আর্মড পুলিশ (ডিএপি) এবং আধা-সামরিক বাহিনীর ২০০০ সদস্য ছাড়াও তিন জেলার কেন্দ্রীয়, উত্তর ও নয়াদিল্লির পুলিশ বাহিনীকে অন্তর্ভুক্ত করে পুরো প্রক্রিয়াটিকে সুশৃঙ্খল ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় প্রশাসন।

১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পর শেষবার এ ধরনের বৃহদাকার কোনো শেষকৃত্য়ের আয়োজন করেছিল দিল্লি পুলিশ। সে সময় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ডিসিপি বি কে গুপ্তা অবশ্য বলেন, ওই সময়টা অনেকটাই সংকটজনক ছিল কারণ তাঁকে হত্যা করা হয়েছিল। স্বাভাবিক ভাবেই সাধারণ মানুষের মনে অন্য একটা আবেগ কাজ করছিল। প্রত্যেকেই তাঁর প্রিয় নেতাকে শেষবার চোখের দেখা দেখতে চেয়েছিলেন। প্রটোকলটা একই ছিল, অর্থাৎ তাঁর মরদেহটিও পার্টি অফিস থেকে সমাধিস্থলে (বীরভূমি) নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।


আরও পড়ুন: এক মাত্র অটলবিহারী বাজপেয়ীই অর্জন করেছিলেন এই কৃতিত্ব, যা ভারতে আর কারও নেই

শনিবার রাজঘাটের রাষ্ট্রীয় স্মৃতিস্থলে বাজপেয়ীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। বিজেপি পার্টি অফিস থেকে তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় প্রায় ৫ লক্ষ মানুষের সমাগম হবে বলে দিল্লি পুলিশ থেকে ধারণা প্রকাশ করা হয়েছে। রাজঘাটে নিযুক্ত করা হচ্ছে ২০ কোম্পানি দিল্লি আর্মড পুলিশ এবং কয়েকশো আধা-সামরিক বাহিনীর সদস্যকে। দিল্লি ট্রাফিক পুলিশ জানিয়েছে, সকাল ৮টা থেকেই বন্ধ থাকছে ২৫টি রাস্তা। যার মধ্যে রয়েছে কৃষ্ণা মেনন মার্গ, তুঘলক রোড, আকবর রোড, মানসিংহ রোড, কেজি মার্গের অংশ, শাহজাহান রোড, ডিডিইউ মার্গ এবং রাজঘাট ও দিল্লি গেটের মধ্যবর্তী বেশ কয়েকটি রাস্তা।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন