serial-lover

ওয়েবডেস্ক: ১৯ নারীর মন চুরি। একই সঙ্গে শুধু ১২ লক্ষ টাকার গয়না।

একের পর এক পোশাক তৈরির কারখানায় কাজ জোগাড় করে নিত বছর ৩৫-এর মঞ্জুনাথ। যেখানে মহিলা কর্মীর সংখ্যাই বেশি। কিছু দিনের মধ্যেই কোনো এক মহিলাকে নিজের খুব আপন করে নিত সে। তারপর যা হওয়ার। প্রথমে পরিচয় তারপর আলাপচারিতা এবং মন বিনিময়ের ঘটনাও জমে ক্ষীর হতো কখনো। এ ভাবেই নিজের লক্ষ্যে পৌঁছতে খুব একটা বেশি সময় নিত না সে।

আলাপ গাঢ় হলেই মঞ্জুনাথ নানা অছিলায় পৌঁছে যেত মহিলার বাড়িতে। সেখানে আনুষঙ্গিক কথাবার্তার মাঝেই সে দেখে নিত ঘরের কোথায় কী রয়েছে। এরপর অপেক্ষা করত সময়ের সদ্ব্যবহারের জন্য। সুযোগ পেলেই ওই মহিলাদের ব্যাগ থেকে সন্তর্পণে সরিয়ে ফেলত ঘরের চাবি। তারপর কোনো না কোনো কারণ দেখিয়ে বেরিয়ে পড়ত কারখানা থেকে। সেখান থেকে সোজা পৌঁছে যেত ওই মহিলার বাড়িতে। খালি ঘরে বুঝে লুঠ চালাত বিনা বাধায়। কাজ সারা হয়ে গেলে আবার কারখানায় হাজির। সবার চোখের আড়ালে যথাস্থানে রেখে দিত সেই চাবি।

অপারেশন সাকসেসফুল হয়ে গেলে সেই কারখানা ছেড়ে পাড়ি দিত অন্য কোনো কারখানায়। আবার সেই একই ছকে আর একটা অপারেশন। কিন্তু ঘুঘু বার বার ধান খেয়ে যেতে পারলেও মঞ্জুনাথ আটকে গেল ফাঁদে। বেঙ্গালুরুর বোম্মানাহাল্লি থানার পুলিশ গ্রেফতার করেছে তাকে। পুলিশ জানিয়েছে, গার্মেন্টস কারখানায় কর্মরতা মূলত একা থাকা মহিলাদের সঙ্গেই সখ্য জমাত সে। এখনও পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ১৯ টি অভিযোগ নথিভুক্ত হয়েছে। তার কাছ থেকে পাওয়া গিয়েছে ১২ লক্ষ টাকার গয়না। উদ্ধার হয়েছে ১৫টি চাবি। তবে শুধু এই ১৯টি নয়, ২৫টি চুরির ঘটনায় তার জড়িত থাকার কথা পুলিশ জানতে পেরেছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here