collapse pandal
মেদিনীপুরের ভাঙা প্যান্ডেল। ছবি: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

নয়াদিল্লি: পশ্চিম মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমাবেশে প্যান্ডেল ভেঙে পড়ার কারণ ও পরিস্থিতি খুঁজে বের করতে গঠিত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল বৃহস্পতিবার তাদের রিপোর্ট পেশ করল। গত ১৬ জুলাই মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত ওই সভায় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়মাবলি মেনে চলা হয়নি বলেই উল্লেখিত হয়েছে ওই তদন্তে রিপোর্টে। বলা হয়েছে, দেশের প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশে নিরপত্তা বিষয়ক ‘ব্লু-বুক’কে মান্যতা দেয়নি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই দিন সভা উপলক্ষে পুলিশ ও প্রশাসনের তরফে যে ধরনের উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল তা মানা হয়নি। যেমন, প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত ছিলেন স্বয়ং জেলাশাসক। জেলার পুলিশ সুপারের অবর্তমানে পার্শ্ববর্তী এক জেলার পুলিশ সুপারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই ঘটনা যেমন অপ্রত্যাশিত তেমনই প্রচলিত প্রথার বিরুদ্ধাচরণ বলেই রায় দিয়েছে ওই তদন্তকারী দল।

এ ছাড়া উচ্চপর্যায়ের কোনো পুলিশ আধিকারিক, যেমন ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) বা ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) পর্যায়ের কেউ ওই সভাস্থলে ছিলেন না। পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে যান ঠিকই, তবে তা প্যান্ডেল ভেঙে পড়ার পরে।

আরও পড়ুন: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘প্যান্ডেল’ মন্তব্যে মুখ খুললেন মুকুল রায়

কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সেক্রেটারি (নিরাপত্তা) এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন ওই তদন্তকারী দল দাবি করেছে, প্রধানমন্ত্রীর সভার আগে পুলিশ কোনো রকমের বিপর্যয় মোকাবিলার আগাম কোনো প্রস্তুতি নেয়নি। সাধারণ মানুষ যখন লোহার কাঠামোর উপর উঠে পড়ছে, সে কারণেই তাঁদের নিষেধ করার উদ্যোগ নিতে পারেনি পুলিশ। এমনকী লোহার পাইপ দিয়ে তৈরি অস্থায়ী ছাউনি গড়ার জন্য স্থানীয় পূর্ত বিভাগ থেকে কোনো রকমের গ্রহণযোগ্য পদক্ষেপও নেওয়া হয়নি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন