what vajpayee says to sourav ganguly
সফরের আগে বাজপেয়ীর সঙ্গে সৌরভ। ছবি: পিটিআই

ওয়েবডেস্ক: মারা গেলেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী। শোকস্তব্ধ পুরো দেশ। শাসক শিবির, বিরোধী শিবির সবাই এখন প্রাক্তন বাজপেয়ীর স্মৃতিচারণায় ব্যস্ত।

ভারতীয় রাজনীতির নিঃসন্দেহে একটা স্তম্ভ ছিলেন বাজপেয়ী। পড়শি দেশের সঙ্গে শততিক্ততা ভুলে কী ভাবে ভালো সম্পর্ক তৈরি করা যায়, সেই পথও তিনিই দেখিয়েছিলেন। এই মর্মেই মনে পড়ে যায় পাকিস্তান সফরের আগে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে দেওয়া বাজপেয়ীর সেই ‘গুরুমন্ত্র’।

২০০১-এর সংসদ হামলার পরে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্ক ক্রমশ তিক্ত হতে শুরু করে। সীমান্তে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। কিন্তু ২০০৩-এর শেষ থেকেই আবার পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের বরফ গলানোর চেষ্টা শুরু করেন বাজপেয়ী। সেটা কাজেও দেয়।

২০০৪-এর মার্চে টেস্ট এবং একদিনের সিরিজ খেলতে পাকিস্তান রওনা দেয় ভারতীয় দল। সেই সফরে রওনা হওয়ার ঘণ্টাখানেক আগে সৌরভ-সহ গোটা দলের সঙ্গে দেখা করে বাজপেয়ী বলেছিলেন, “খেলা তো জিতবেই, কিন্তু তার সঙ্গে মনটাও জিতে এসো।”

আরও পড়ুন দৌড়ে গিয়ে অটলবিহারী বাজপেয়ীকে আলিঙ্গন মোদীর, দেখুন সেই দুর্লভ ভিডিও

বাজপেয়ীর সেই ‘গুরুমন্ত্র’ এক অদ্ভুত মাহেন্দ্রক্ষণে এসে দাঁড় করিয়ে দেয় ভারত এবং পাকিস্তানের সম্পর্কে। পাকিস্তানে যায় ভারত। টেস্ট এবং একদিনের, দুটো সিরিজই ছিনিয়ে ঘরে ফেরে তারা। কিন্তু পড়শি দেশে ভারত যা অভ্যর্থনা পেয়েছিল সেটা কার্যত বলে বোঝানো সম্ভব নয়।

লাহৌরে একদিনের সিরিজ জেতার পরে সৌরভকে নিয়ে পাকিস্তানি জনতার উন্মাদনা ভোলার নয়। পাকিস্তানি জনতার আতিথেয়তায় বিভোর হয়ে যায় এ দেশ থেকে সেখানে যাওয়া প্রায় কুড়ি হাজার ভারতীয় সমর্থকও। সব মিলিয়ে বাজপেয়ীর সেই ক্রিকেট কূটনীতি, দুই দেশের সম্পর্কের এক নতুন দিশা দেখিয়েছিল।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন