ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত ছবি

ওয়েবডেস্ক: রাজস্থান বিধানসভা নির্বাচনের রাজনৈতিক প্রচারে ফের উঠে এসেছে ১৯৬৬-র হিন্দু নিধনকাণ্ড। তবে ক’দিনের মধ্যেই উইকিপিডিয়ায় ওই ঘটনার শিকার হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তির সংখ্যা ৭ থেকে ৫,০০০-এ পরিবর্তিত হয়েছে বলে দাবি করা হল সংবাদ সংস্থা বিবিসির প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে। এই পরিবর্তিত সংখ্যাকে সঙ্গী করেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ১৯৬৬-র সেই ঘটনা সম্বলিত বার্তা।

১৯৬৬ সালে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর শাসনকালে “মুসলমানদের খুশি করতে”ই দিল্লিতে “হিন্দু গণহত্যা” করা হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটারের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায়। উইকিপিডিয়া মতে, ১৯৬৬ সালের ৭ নভেম্বর গো-হত্যা বন্ধের আইন নিয়ে আসার দাবিতে বিক্ষোভ দেখানো হয় নয়াদিল্লিতে। সেখানেই সরকারের তরফে হিন্দু সাধুদের হত্যা করা হয়। এই তথ্যের সঙ্গেই রয়েছে, গণহত্যায় মৃতের সংখ্যা। যা দেখানো হয়েছে ৩৫০-৫,০০০ হিন্দুকে হত্যা করা হয়েছিল।

কিন্তু ওই সংখ্যাটি যে কয়েক দিন আগেও ৭ জন ছিল, সেটাই দাবি করা হচ্ছে বিভিন্ন মহল থেকে।

অন্য দিকে রাজস্থানে যে বার্তাটি ভাইরাল হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে সেখানেও স্পষ্ট ভাবে লেখা হয়েছে, “আপনি কি জানেন, মুসলমানদের খুশি করতে ১৯৬৬ সালের ৭ নভেম্বর গো-হত্যা বন্ধের দাবিতে সংসদ অভিযানকারী ৫,০০০ সাধু-সন্তকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিলেন ইন্দিরা গান্ধী? হাজার হাজার সাধু-সন্তকে গুলিতে আহত হতে হয়েছিল। স্বাধীন ভারতে ওটাই ছিল সব থেকে বড়ো ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড। মানুষ জালিয়ানওয়ালাবাগের ইতিহাস জানে, কিন্তু সংসদ ভবনের সামনে হাজার হাজার সাধু-সন্তের এই ঘটনা লোকে জানেই না।”

যদিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো এই বার্তার সঙ্গে ইতিহাসের আদ্যন্ত মিল আছে বলে মনে করেন না ওয়াকিবহাল মহল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here