লখনউ: সেখানে কোনো বানর ছিল না, সে চার হাত-পায়ে হাঁটছিলও না, তার পরনে পোশাকও ছিল। কাতারনিয়াঘাট অরণ্য সংলগ্ন অঞ্চলে পাওয়া মেয়েটি সম্পর্কে যে গল্প ছড়িয়েছে তা ঠিক নয়। সংবাদ মাধ্যমে কী করে এই গল্প ছড়াল তা নয়ে ধন্দে হেড কনস্টেবল ।

মাস আড়াই আগে হেড কনস্টেবল সর্বজিৎ যাদব তাকে উদ্ধার করে। সে মানসিক প্রতিবন্ধী। তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বাহারাইচ জেলা হাসপাতালে। গত শনিবার তাকে লখনউ নির্বাণ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই হাসপাতালটি মানসিক প্রতিবন্ধীদের।

১০০ নম্বরে জরুরি ফোন পেয়ে মোতিপুর থানার তিন সদস্যের টহলদারি দল ২৪ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বাহারাইচ-লখিমপুর সড়কের ধার থেকে কিশোরীটিকে উদ্ধার করে। ওই টহলদারি দলের নেতৃত্বে ছিলেন সর্বজিৎ যাদব। যাদব বলেন, “ওর পরনে ফ্রক আর নিকার ছিল। আমাদের দেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। খুব দুর্বল ছিল বলে ঠিকমতো হাঁটতে পারছিল না।” কিশোরীটিকে উদ্ধার করে প্রথমে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কিছু খাইয়ে বাহারাইচের হাসপাতালে ভর্তি করে দেওয়া হয়।

যাদবের ধারণা, মেয়েটি মানসিক ভাবে অসুস্থ বলেই ওর বাবা-মা ওকে এ ভাবে ফেলে গেছিল। তবে লখনউয়ের মানসিক হাসপাতালটি যে এনজিও চালায় তার প্রেসিডেন্ট এস এস ধাপোলার কিন্তু এখনও সংশয় আছে। তাঁর বক্তব্য, উদ্ধার হওয়া মেয়েটির কিছু কিছু আচার আচরণ কিন্তু বানরদের মতো।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here