আসারামের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলায় এত দেরি কেন? গুজরাতকে বিঁধল সুপ্রিম কোর্ট

0

আরও পড়ুন: ধর্ষণের দায়ে ডেরাপ্রধানের ১০ বছর জেল আসারাম ও তাঁর ছেলে নারায়ণ সাইয়ের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা ভাবে ধর্ষণ ও অবৈধ ভাবে আটকে রাখার অভিযোগ আনেন সুরাতের অধিবাসী দুই বোন। বড়ো বোন তাঁর অভিযোগে বলেন, অমদাবাদের কাছে এক আশ্রমে থাকার সময় ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আসারাম বার বার তাঁর যৌন নিগ্রহ করেছিলেন। সুরাতের ধর্ষণ মামলার শুনানি চলছে গান্ধীনগর আদালতে। রাজস্থানের একটি মামলায় জোধপুরের কাছে মানাই গ্রামে তাঁর আশ্রমে এক কিশোরীকে যৌন নিগ্রহ করার অভিযোগ রয়েছে আসারামের বিরুদ্ধে। উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরের ওই কিশোরী আসারামের আশ্রমে থেকে পড়াশোনা করত। আসারামকে জোধপুর পুলিশ ২০১৩ সালের ৩১ আগস্ট গ্রেফতার করে। তখন থেকেই আসারাম ওই জেলেই রয়েছেন। শরীর খারাপের অজুহাত দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জামিনের আর্জি জানিয়েছেন আসারাম। আদালতে তাঁর আইনজীবীর দাবি, এখনও পর্যন্ত ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়নি। ফলে দোষ প্রমাণিত নয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও গত চার বছর ধরে বাপুকে শাস্তি ভোগ করে যেতে হচ্ছে। অপর দিকে গুজরাত সরকার আদালতকে জানিয়েছে, যাবতীয় বিলম্বের জন্য দায়ী বাপুই। তথ্য বলছে, এই মামলার সঙ্গে জড়িত ৪০ জনেরও বেশি সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এখনও পর্যন্ত বাকি। তা ছাড়া আসারাম আর নারায়ণ জেলে থাকাকালীন হামলা করা হয়েছে ৬ জন সাক্ষীর ওপর। মারা গেছেন এই মামলার সঙ্গে জড়িত ২ জন সাক্ষীও।]]>

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন