১ টাকা এবং ৫০ পয়সার এই কয়েনগুলি তুলে নেবে আরবিআই, আপনার কাছে নেই তো?

0
coin

নয়াদিল্লি: ১ টাকা এবং ৫০ পয়সা মূল্যের নির্দিষ্ট কিছু পুরনো কয়েন সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্য়াঙ্ক (RBI)। কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের নির্দেশিকা অনুযায়ী, আপনার কাছে এ ধরনের কয়েন রয়েছে কি না, তা ষাচাই করে নিতে পারেন। কারো কাছে ১ টাকা এবং ৫০ পয়সা মূল্যের এ ধরনের কয়েন আছে কি না, তাঁরা নীচের তালিকায় মিলিয়ে দেখে নিতে পারেন।

নয়াদিল্লি এলাকায় আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের একটি শাখার দেওয়া একটি নোটিশ অনুযায়ী, কিছু কয়েন পুনরায় জারি করার অনুমতি দেওয়া হয় না। এর থেকে স্পষ্ট একবার এগুলি ব্যাঙ্কে জমা হয়ে গেলে, সেগুলি আবার ব্যাঙ্কের মাধ্যমে বাজারে ছাড়া হবে না। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের মাধ্যমে সেগুলি ফেরত নেবে আরবিআই।

তার মানে এমনটাও নয় যে, ওই কয়েনগুলি অচল। অর্থাৎ, যতদিন বাজারে রয়েছে, তত দিন এগুলো বৈধ। টাইমস নাও-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, নয়ের দশক এবং ২০০০ সালের আশেপাশে প্রচলিত কিছু কয়েন তুলে নেওয়া হতে পারে।

আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের ওই শাখার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আরবিআই-এর নির্দেশে নিম্নলিখিত কয়েনগুলি পুনরায় বাজারে ছাড়তে নিষেধ করা হয়েছে

*১ টাকার কাপরোনিকেল কয়েন

*৫০ পয়সার কাপরোনিকেল কয়েন

*২৫ পয়সার কাপরোনিকেল কয়েন

*১০ পয়সার স্টেনলেস স্টিল কয়েন

*১০ পয়সার অ্যালুমিনিয়াম ব্রোঞ্জ কয়েন

*২০ পয়সার ব্রোঞ্জ কয়েন

*২০ পয়সার অ্যালুমিনিয়াম কয়েন

*১০ পয়সার অ্যালুমিনিয়াম কয়েন

*৫ পয়সার অ্যালুমিনিয়াম কয়েন

কয়েনগুলি ব্যাঙ্কে জমা দিলে, সেগুলি লেনদেনের জন্য আর জারি করা হবে না

তালিকায় থাকা ২০,১০ এবং ৫ পয়সার কয়েনগুলির ব্যবহার অনেক দিন আগেই বন্ধ হয়েছে। তবে ১ টাকা এবং ৫০ পয়সার (কোথাও কোথাও) কাপরোনিকেল কয়েন সমান ভাবে ব্যবহার্য। এমনকী কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক নির্দিষ্ট কিছু কয়েন সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগী হলেও সেগুলো লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে একবার আপনি এই কয়েনগুলি ব্যাঙ্কে জমা দিলে, সেগুলি লেনদেনের জন্য আর জারি করা হবে না। তখন আপনি লেনদেনের জন্য নতুন ডিজাইনের কয়েন পাবেন।

যেমন, আইসিআইসিআই ব্যাঙ্কের ওই শাখার জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৫০ পয়সা, ১ টাকা, ২ টাকা, ৫ টাকা, ১০ এবং ২০ টাকা মূল্যের সমস্ত কয়েন বিভিন্ন আকারের, থিম এবং ডিজাইন সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে জারি করা আইনি দরপত্র হিসাবে অব্যাহত রয়েছে।

জেনে রাখা ভালো, ২০০৪ সালের একটি নির্দেশিকায় আরবিআই বলেছিল, কাপরোনিকেল এবং অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি ১ টাকা পর্যন্ত সমস্ত মূল্যের পুরনো কয়েকগুলি প্রত্যাহার করা উচিত। সেগুলিকে গলানোর জন্য টাঁকশালে পাঠিয়ে দেওয়ার কথাও জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। ২০১১ সালের জুন মাসের শেষ থেকে ২৫ পয়সা বা তার কম মূল্যের কয়েন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় আরবিআই। তার পর থেকে এই কয়েনগুলি দিয়ে লেনদেন বা আইনি দরপত্র হিসেবে ব্যবহারও বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন