ওয়েবডেস্ক: তেলঙ্গানার ঘটনার উদাহরণ টেনে উন্নাওয়ের নির্যাতিতার বাবাও বললেন, “ওদেরও গুলি করে মারো।” অন্য দিকে অতি দ্রুততার সঙ্গে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে এই মামলার বিচার হবে বলে আশ্বাস দিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

শুক্রবার সকালে তেলঙ্গানায় এনকাউন্টারে নিহত হয় হায়দরাবাদ ধর্ষণ কাণ্ডের চার অভিযুক্তই। এই ঘটনায় যখন কার্যত গোটা দেশে উৎসবের আবহ, ঠিক তখনই আরও এক দুঃখজনক ঘটনা ঘটে গেল দিল্লিতে, যখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শেষমেশ হেরে গেলেন উন্নাওয়ের ওই তরুণী।

ওই তরুণীর বাবা এখন চাইছেন, তেলঙ্গানা পুলিশের থেকে উদাহরণ টেনে ঠিক একই কাজ করুক উত্তরপ্রদেশ পুলিশও। তাঁর কথায়, “ওদের হয় অবিলম্বে ফাঁসিতে ঝোলানো হোক, কিংবা হায়দরাবাদে যা হল, সে ভাবে এনকাউন্টার করে মারা হোক।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমি লোভী নই। সরকারের কাছে আর কোনো দাবি নেই আমার। সরকারের থেকে বাড়ি-চাকরি কিছুই চাই না।”

এ দিন এই ঘটনায় বিরোধীদের চাপের মুখে উত্তরপ্রদেশ সরকার। শনিবার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, এই মামলার দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

একটি বিবৃতিতে আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, “ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতের মধ্যে দিয়ে অতি দ্রুততার সঙ্গে এই মামলার বিচার হবে আর অভিযুক্তদের কড়া শাস্তি হবে।”

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত ১১:৪০-এর দিল্লিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ২৩ বছরের ওই তরুণী। সাংঘাতিক ভাবে পুড়ে যাওয়া ওই তরুণীকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়। দিল্লির হাসপাতালের ডাক্তাররা শুক্রবার সকালে জানান, রোগিণীর অবস্থা খুবই সংকটজনক, তাঁকে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন প্রবল শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, তত দিন আর শীত ফিরবে না

এর পরে শনিবার রাতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি।  

বৃহস্পতিবার সকালে ওই তরুণী যখন তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে রায়বরেলির আদালতে যাচ্ছিলেন তখন পাঁচ ব্যক্তি তাঁর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। ওই পাঁচ ব্যক্তির মধ্যে তাঁকে ধর্ষণের দুই মূল অভিযুক্তও ছিল।

প্রথমে ওই তরুণীকে ভরতি করা হয় লখনউয়ের এক সরকারী হাসপাতালে। ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে হইচই শুরু হতে উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথ সরকার নড়েচড়ে বসে। দিল্লির হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা হয়। তবুও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন