vote

ওয়েবডেস্ক: কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির আসন ২০১৩-র তুলনায় বাড়লেও ফলাফল দেখে আগামী লোকসভা ভোটের জন্য আশ্বস্ত হতে পারছেন না গেরুয়া শিবিরের ভোট ম্যানেজাররা। কারণ গত লোকসভা ভোটের তুলনায় এ বার বিধানসভায় বিজেপির ভোটে ধস নেমেছে। এ বারে তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ৩৬.৮ শতাংশ।

গত ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ১৭টি আসনে জয়লাভ করে। সে বার তাদের প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ৪৩ শতাংশ। অন্য দিকে ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে ১৯টি আসনে জিতলেও ভোটের হার ছিল ২.২ শতাংশ কম। কিন্তু মাত্র চার বছরের ব্যবধানে অনুষ্ঠিত একই রাজ্যের দু’টি নির্বাচনে প্রায় ছয় শতাংশ ভোট কেন কমে গেল, তা নিয়েই কপালে চিন্তার ভাঁজ প্রশস্ত হল অমিত শাহর।

একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে নাম মাত্র দূরে দাঁড়িয়ে থাকলেও মঙ্গলবারের ভোটগণনায় বিজেপির ফল বুথফেরত সমীক্ষাগুলিকেও টপকে গিয়েছে। কিন্তু এই নির্বাচনকেলোকসভা ভোটের সেমিফাইনাল উল্লেখ করে খোদ নরেন্দ্র মোদী প্রচারে বাজার গরম করেছিলেন। কিন্তু ভোটে ধস নামার বিষয়টি যে মোটেই সুখকর ইঙ্গিত বহন করছে না, তা মানছেন বিজেপির তাবড় কেন্দ্রীয় কার্যকর্তারাও।

আরও পড়ুন: কর্নাটকে জিতলে হারতে হয় লোকসভায়, সাড়ে তিন দশকের ইতিহাস বলছে সে কথাই

ভোট কমেছে কংগ্রেসেরও। কিন্তু তা তুলনামূলক ভাবে অনেকটাই কম। ২০১৪-তে কংগ্রেসের ভোট ছিল ৪০.৮ শতাংশ, এ বার তা কমে হতে পারে ৩৮ শতাংশের কাছাকাছি। অন্য দিকে দেবগৌড়ার জেডি(এস)-এর ভোট বেড়েছে উল্লেখযোগ্য ভাবে। তাদের দখলে সে বার ছিল মাত্র ১১ শতাংশ ভোট। এ বার তা বেড়ে হয়েছে ২০ শতাংশের বেশি।

আরও পড়ুন: কর্নাটকের রায় লাইভ

স্বাভাবিক ভাবেই একটা ভোটের রেশ ধরে পরের ভোটে যাওয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত হতে পারছে না বিজেপি। কারণ এই হার ধরে রাখলে দখলে থাকা ১৭ টি আসনও ধরে রাখা সম্ভব নাও হতে পারে বলে তাদের ধারণা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here