ওয়েবডেস্ক: নারীদের ক্ষমতায়নের উদ্দেশ্যে ‘বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও’ যে দলের নীতি, সেই দলের শাসিত একটি রাজ্যেই নারী নিরাপত্তার করুণ ছবিটা ক্রমে বেরিয়ে আসছে। বৃহস্পতিবার ধর্ষণের তিনটে ঘটনার কথা জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে গত ছ’দিনে এই নিয়ে আটটা ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই তিনটে ঘটনা ঘটেছে। প্রথম ঘটনাটি ঘটেছে চর্খি দাদরি জেলায়। সেখানে ১৭ বছরের একটি দলিত যুবতীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটেছে ফতেহাবাদ জেলায়। সেখানে গণধর্ষণের শিকার কুড়ি বছরের এক তরুণী। তৃতীয় ঘটনাটি গুরুগ্রাম জেলায়, যেখানে চলন্ত গাড়িতে বিএ’র দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

দলিত কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় চর্খি দাদরির পুলিশ সুপার হিমাংশু গর্গ বলেন, সোমবার রাতে চারজন লোক ওই কিশোরীকে অপহরণ করে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়। তার পর ছুরির ভয় দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। ফতেহাবাদ জেলার ঘটনায় নিজের বাড়িতেই ধর্ষিতা হয়েছেন ওই তরুণী। জেলার পুলিশ সুপার দীপক শহরন জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তিনটে ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অন্য দিকে তৃতীয় ঘটনাটির ক্ষেত্রে পুলিশে অভিযোগ জানিয়ে ওই তরুণী জানিয়েছে, কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার সময়ে দু’জন লোক তাকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর রাস্তার ধারে তাকে ফেলে দিয়ে যায়, সেই সঙ্গে হুমকি দেয়, পুলিশকে জানালে ফল ভালো হবে না। কোনো ঘটনাতেই এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার কড়া হয়নি।

হরিয়ানার ক্রমবর্ধমান ধর্ষণের ঘটনায় মুখ পুড়ছে পুলিশ প্রশাসন এবং রাজ্য সরকারের। ধর্ষণের ঘটনাগুলিকে পুলিশ আদৌ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে না বলে বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন