পুলিশ অফিসারকে পিটিয়ে মারার ঘটনায় অভিযুক্ত জঙ্গির মৃত্যু কাশ্মীরে

0
200

শ্রীনগর : প্রাণ হারাল হিজবুল মুজাহিদিন গোষ্ঠীর তিন জন জঙ্গি। এদের মধ্যে এক জন সাজাদ আহমেদ গিলকার। গত ২২ জুন শ্রীনগরের নৌহাট্টা এলাকায় জামিয়া মসজিদের সামনে মহম্মদ আয়ুব পণ্ডিত নামে এক পুলিশ অফিসারকে নগ্ন করে পিটিয়ে মেরে ফেলার ঘটনায় গিলকারের বড়ো ভূমিকা ছিল। শ’ দেড়েক মানুষের যে জনতা ওই পুলিশ অফিসারকে পিটিয়ে মারে, তাদের নেতৃত্বে ছিল বছর কুড়ির এই যুবক। ওই ঘটনার পর গিলকার আত্মগোপন করে এবং দিন দশেক আগে হিজবুল মুজাহিদিনে যোগ দেয়। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

কিন্তু সাজাদের ভাগ্য খারাপ। আরও দুই হিজবুল জঙ্গিকে নিয়ে বাদগামের এক বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, মঙ্গলবার রাতে এক বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে বাদগাম জেলার রেডবাগ গ্রামের মহাগাম এলাকায় সন্ত্রাসবাদীদের উপস্থিতির খবর পাওয়া যায়। খবর পাওয়া মাত্রই নিরাপত্তাবাহিনী ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে। ঘিরে ফেলা হয় গোটা এলাকা। এই তল্লাশি অভিযানই মুখোমুখি লড়াইয়ে পরিণত হয়। সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ সন্ত্রাসবাদীরা নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর গুলি চালাতে শুরু করে। নিরাপত্তাবাহিনীও পালটা গুলি চালায়। সারা রাত ধরে এই অভিযান চলে। সন্ত্রাসবাদীরা যাতে পালাতে না পারে তার জন্য সারা রাতই এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছিল। ওই অধিকারিক বলেন, গুলির লড়াই এ দিন সকালে আবার শুরু হয়। তাতেই নিহত হয় জঙ্গিরা। নিহত বাকি দুই জঙ্গি হল নারবালের জাভেদ আহমেদ শেখ এবং গরিপরার আকিব গুল। তবে এই অভিযানে নিরাপত্তাবাহিনীর কেউ আহত বা নিহত হননি। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

 

নিরাপত্তাবাহিনীর এই দলটিতে ছিল সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ), রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশবাহিনীর স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের সদস্যরা।

প্রসঙ্গত, এর ঠিক এক দিন আগেই সোমবার অমরনাথধাম যাত্রীদের ওপর সন্ত্রসাবাদীরা হামলা করে। তাতে নিহত হন সাত জন তীর্থযাত্রী।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here