TMc and BJp
ছবি: নিউজ১৮.কম থেকে

ওয়েবডেস্ক: এমপ্লয়িজ স্টেট ইনশিওরেন্স কর্পোরেশনে বা ইএসআইসি-তে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন। গত বুধবার ভোটের পরই কংগ্রেস প্রার্থী প্রদীপ ভট্টাচার্য দাবি করেন, তৃণমূল প্রার্থী জিতেছেন বিজেপির ভোটে। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল-বিজেপি যতই দ্বন্দ্ব, সে সব যে লোক দেখানো, সেটা প্রমাণ হল ইএসআইসি-র সদস্য নির্বাচনে।

প্রদীপবাবুর অভিযোগে কার্যত সিলমোহর দিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থন চেয়েছিল। তাই দোলা সেনকেই ভোট দেওয়া হয়েছে। বিজেপির ভোটে জিতে ইএসআইসি-র সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী।

গত বুধবারের নির্বাচনে তৃণমূলের দোলা সেন পেয়েছেন ৯০টি ভোট, কংগ্রেসের প্রদীপ ভট্টাচার্য ৪৬টি ভোট এবং সিপিএমের করিম ৮টি ভোট পেয়েছেন৷ ১২টি ভোট বাতিল হয়েছে৷ কেন্দ্রের প্রধান বিরোধী দল হিসাবে এই পরাজয় তাদের পক্ষে রাজনৈতিক ধাক্কা হিসাবে উল্লেখ করেছে কংগ্রেস। একই সঙ্গে প্রদীপবাবু জোরালো অভিযোগ তোলেন তৃণমূল-বিজেপি আঁতাতের।

প্রদীপবাবু বলেন, “আমি প্রকাশ জাভড়েকরকে জিজ্ঞেসা করলাম, কী করে তৃণমূলকে ভোট দিলেন? তিনি জবাবে বললেন, এটা সংসদীয় কৌশল৷ ভূপেন্দ্র যাদবকে বললাম, বাংলায় এত হত্যার অভিযোগ করেও তৃণমূলকে ভোট দিলেন? তিনি চুপ করে বসে রইলেন”।

বৃহস্পতিবার বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মুকুল বলেন, “দোলা সেনকে জেতানোর জন্য বিজেপিকে আবেদন জানিয়েছিলেন খোদ তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”।

সূত্রের খবর, সিপিএম প্রার্থীকে সমর্থনের প্রস্তাব দেয় তৃণমূল। কিন্তু তাতেই প্রয়োজনীয় ভোট না-মেলায় কংগ্রেসের দ্বারস্থ হয় তারা। কংগ্রেস সিপিএম প্রার্থীকে সমর্থন না-দিয়ে পৃথক প্রার্থী ঘোষণা করে। এর পরই কৌশল বদল করে তৃণমূল।

প্রসঙ্গত, এতদিন ওই আসনে ছিলেন তৃণমূল সাংসদ রাজ্যসভা সাংসদ দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মেয়াদ ফুরানোর পর সেটিতে নির্বাচন করায় সংসদীয় কার্য মন্ত্রক। ভোটে জিতে ওই আসনটি ফের দখলে রাখল তৃণমূল।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here