#PNB #SCAM

নয়াদিল্লি: পিএনবি-কাণ্ডের তদন্তে জয়েন্ট পার্লামেন্টারির কমিটি বা জেপিসি গঠন নিয়ে সিপিএমের মতে সায় জানাল না তৃণমূল কংগ্রেস। পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক থেকে নীরব মোদীর ১১,৫০০ কোটি টাকার জালিয়াতি নিয়ে তদন্তের স্বার্থে জেপিসি গঠনের দাবি তুলেছিল জাতীয় কংগ্রেস। তাদের প্রস্তাবে প্রথমেই সমর্থন জানায় সিপিএম এবং সিপিআই। কিন্তু তৃণমূল মোটেই রাজি নয় এই ধরনের কমিটি গঠনে। ঠিক কী কারণে?

তৃণমূলের যুক্তি খুবই সহজ এবং প্রাসঙ্গিক। দলের সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়ান জানিয়েছেন, ‘আমরা দেখেছিলাম ১৯৮৭ সালেও বোফর্স নিয়ে জেপিসি গঠিত হয়েছিল। কিন্তু সেই কমিটির রিপোর্ট বিরোধীরা মানতে রাজি হয়নি। তা বাতিল করে দেওয়া হয়। হর্ষদ মেহতা বা কেতন পারেখ কাণ্ডেও একই ভাবে কমিটি তৈরি হলেও সেই মামলার সুরাহা হয়নি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে হাতে রেখে বিজেপি যে কী ভাবে বিরোধীদের হেনস্থা করছে, তা কারও অজানা নয়।’

আরও পড়ুন: পিএনবি-কাণ্ডে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, টানা তিন বছর শূন্য ‘নজরদার’ অফিসারের পদ

ডেরেকের মতে, এই ধরনের দুর্নীতি কাণ্ডে সাধারণ মানুষই সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাঁরা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ চেয়েও পান না। আবার তাঁদেরই সঞ্চিত অর্থ ব্যাঙ্ক থেকে গায়েব হয়ে যায়। ফলে পিএনবি-কাণ্ডের ফয়সালার দাবিতে তৃণমূল সংসদে প্রতিবাদ করবে। রাস্তায় নামবে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কিন্তু এখনই জেপিসির দাবি তুলবে না। জেপিসি গঠন করে বিজেপি চাইবে তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও দীর্ঘায়িত করতে।

আরও পড়ুন: পিএনবির টাকা তছরুপে অভিযুক্ত নীরব মোদী পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর অপত্য স্নেহ!

পিএনবি কাণ্ডে এই ধরনের কমিটি গঠনের কথা প্রথমে উত্থাপন করেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। সে ব্যাপারে তিনি বিরোধী দলগুলির মতামত জানতে চান। পাশাপাশি রাহুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে কেন মুখ খুলছেন না। তিনি অন্তত ভারতবাসীকে বলুন, এ দেশের ব্যাঙ্কে গচ্ছিত সাধারণ মানুষের কষ্টাপর্জিত অর্থ সুরক্ষিত রয়েছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন