প্রিয়ঙ্কা ভারতীকে মনে আছে? ভুলে যাওয়ার কথা নয়, কারণ তাঁকে প্রতি মুহূর্তে আমাদের সামনে হাজির করছেন বিদ্যা বালন। স্বচ্ছ ভারত নিয়ে প্রচার অভিযানে প্রিয়ঙ্কা ভারতীই মুখ —  যাহা সোচ ওঁহা শৌচালয়। ‘সোচ’ বোধহয় সত্যিই বদলাচ্ছে।

প্রায় চার বছর আগে উত্তরপ্রদেশের মহারাজগঞ্জের নববধূ ১৯ বছরের প্রিয়ঙ্কা ভারতী প্রথম দিনই শ্বশুড়বাড়ি ছেড়ে চলে যান। কারণ শৌচালয় নেই সেখানে। এর পর তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকরা বাধ্য হয়েছিল শৌচালয় বানাতে।

প্রিয়ঙ্কা ভারতীর ঘটনাটি বোধহয় মনে ছিল অন্ধ্রপ্রদেশের গুণ্টুরের এক মহিলার। তাই ছেলের বিয়ে দিয়ে নতুন বউ এনে সোনাদানা উপহার না দিয়ে দিলেন আস্ত একটা শৌচাগার।    

গুণ্টুরে বোলাভারাম গ্রামের বাসিন্দা ওই মহিলার নাম শামসান। তিনি বলেন, তাঁর নিজের বাড়ি আর শ্বশুরবাড়িতে কোনও দিনই শৌচালয় ছিল না। ফলে অনেক অসুবিধেয় পড়তে হত তাঁকে। বিশেষ করে রাতের বেলা আর বর্ষাকালে। এমনকি শৌচালয় না থাকায় বন্ধু-বান্ধব আত্মীয় পরিজনের কাছেও অনেক অপমানিত হতে হয়েছে তাঁকে। তাই তিনি চান না তাঁর পুত্রবধূও একই সমস্যায় পড়ুক। তাঁর মনে হয়েছিল, সোনার গয়নার থেকেও মূল্যবান বৌমার সম্মানরক্ষা। তাই শৌচালয় উপহার।  

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here