হান্দোয়ারা হামলার চার দিন পর পুলওয়ামায় নিহত হিজবুল কমান্ডার রিয়াজ নাইকু

0

ওয়েবডেস্ক: বুধবার সকালে যৌথবাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিহত হল শীর্ষ হিজবুল কমান্ডার রিয়াজ নাইকু। মঙ্গলবার রাত থেকেই পুলওয়ামার বেইগপুরায় জঙ্গিদের ঘিরে ফেলে যৌথবাহিনী। শেষমেশ এ দিন দুপুরে বিস্ফোরণে একটি বাড়ি দিয়ে রিয়াজকে খতম করে সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের যৌথবাহিনী।

কাশ্মীর অঞ্চলে শুরু হওয়া তিনটি পৃথক জঙ্গিবিরোধী অভিযানের মধ্যে এটি ছিল একটি। জেলার পামপোরে এলাকার শার্শালি গ্রামে অন্য এক লড়াইয়ে আরও দু’জন জঙ্গি নিহত হয় বলে জানা গিয়েছে।

নাইকু-নিকেশ অভিযান শুরু করার সঙ্গে সঙ্গেই কাশ্মীর উপত্যকার ১০টি জেলায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সূত্রে খবর, রিয়াজ আদতে হিজবুল মুজাহিদিনের জম্মু-কাশ্মীরের দায়িত্বপ্রাপ্ত জঙ্গি কমান্ডার এর আগে তার মাথার দাম ঘোষিত হয়েছিল ১২ লক্ষ টাকা। তার বিরুদ্ধে একাধিক অপহরণ এবং খুনের অভিযোগ ছিল। ২০১৮ সালে সোপিয়ান ও পুলওয়ামা এলাকায় অসংখ্য স্পেশাল পুলিশ আধিকারিককে অপহরণ করে তাঁদের চাকরি থেকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হচ্ছিল।

জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের প্রাক্তন ডিজি এসপি বৈদের মতে, “রিয়াজ ছিল হিজবুলের প্রাক্তন প্রধান বুরহান ওয়ানির পরে মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি। ২০১৬ সালের জুলাইয়ে একটি এনকাউন্টারে বুরহান নিহত হয়েছিল। প্রায় চার বছর পর এ দিন রিয়াজ খতম হল”।

এর আগে পুলিশ টুইট করে জানিয়েছিল, “অবন্তীপুরে বেইগপুরায় তৃতীয় অভিযান চলছে। শীর্ষ জঙ্গি কমান্ডার আটকে পড়েছে। একটি বাড়ির ভিতর থেকে গুলি চালাচ্ছে। বিশদ বিবরণ সময় মতো জানানো হবে”।

এর পর কয়েক মিনিট আগে পুলিশ টুইট করে জানায়, “নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত রাত থেকে অবন্তীপুরে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। গত রাত থেকে সিনিয়র আধিকারিকরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন”।

আরও পড়ুন: হান্দোয়ারায় গুলির লড়াইয়ে কর্নেল, মেজর-সহ পাঁচজন নিহত

শেষ পর্যন্ত এ দিন দুপুরে জানানো হয়, বিস্ফোরণে একটি বাড়ি উড়িয়ে দেওয়ার পর দুই জঙ্গির দেহ উদ্ধার হয়। তার মধ্যে একজনকে রিয়াজ নাইকু হিসাবে শনাক্ত করা হয়।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন