sridevi

ওয়েবডেস্ক: অবশেষে প্রতীক্ষার অবসান। দুবাই পুলিশের তরফ থেকে পেশ করা হল প্রয়াত বলিউড নায়িকা শ্রীদেবীর ময়নাতদন্তের রিপোর্ট। কিন্তু সেই রিপোর্ট যা বলছে, তা একই সঙ্গে রীতিমতো সন্দেহ এবং বিস্ময়ের উদ্রেক করছে।

জানা গিয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে নয়, বরং নায়িকার মৃত্যু হয়েছে জলে ডুবে! তা-ও আবার বাথটবের জলে! পাশাপাশি, খবর মিলেছে, ময়নাতদন্তে নায়িকার শরীরে অ্যালকোহলের অস্তিত্বও পাওয়া গিয়েছে।

দুবাই পুলিশের চিকিৎসকরা বেলা ২টো ১৩ মিনিটে এই মর্মে একটি খামবন্দি রিপোর্ট তুলে দেন শ্রীদেবীর পরিবারের হাতে। সেই রিপোর্ট সমেত প্রয়াত নায়িকার স্বামী বনি কাপুর এবং দেওর সঞ্জয় কাপুর যান দুবাই পুলিশের সদর দফতরে। সেখানে ওই খামটি খোলা হয়। পুলিশ প্রথমে খাম খুলে রিপোর্টটি পড়ে এবং তার পর তাতে কী লেখা আছে, তা পরিবারকে জানায়।

sridevi

ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বলছে, মৃত্যুর পূর্বে নায়িকা মদ্যপান করেছিলেন। তার প্রভাবেই বেসামাল হয়ে তিনি পড়ে যান জলভর্তি বাথটবে। এর পরেই তাঁর একটা হার্ট অ্যাটাক হয়! যার জেরে না কি নায়িকা আর উঠতে পারেননি। তিনি সংজ্ঞা হারান এবং জলভর্তি বাথটবে ডুবে মৃত্যু হয় তাঁর।

শ্রীদেবীর দেহের এই ময়নাতদন্তের রিপোর্ট স্বাভাবিক ভাবেই সন্দেহ জাগিয়ে তুলেছে। প্রথম থেকে এটা জানা গিয়েছে যে মৃত্যু মুহূর্তে বনি কাপুর তাঁর সঙ্গেই ছিলেন! ঘরের দরজা ভেঙে যখন বাথরুমে তাঁকে পড়ে থাকতে দেখা যায়, তখন না কি স্ত্রীর জ্ঞান ফিরিয়ে আনার অনেক চেষ্টা করেন! ব্যর্থ হয়ে এর পর বনি ফোন করেন আত্মীয়দের এবং তার পর শ্রীদেবীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অর্থাৎ এটা স্পষ্ট যে সঙ্গে সঙ্গেই স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তির চেষ্টা করেননি বনি। বরং, তাঁর পদক্ষেপ নায়িকার মৃত্যুকে ত্বরাণ্বিত করেছে!

sridevi

এ ছাড়া আরও একটি খবর সন্দেহ বাড়িয়ে তুলেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সেই খবর মোতাবেকে, বনি কাপুর না কি শ্রীদেবীকে বাছরুমে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় আবিষ্কার করেননি, করেছেন হোটেল-কর্মীরা! সেই খবর বলছে, রাত সাড়ে দশটার কাছাকাছি শ্রীদেবী রুম সার্ভিসে ফোন করে খাওয়ার জল চেয়ে পাঠান! জল নিয়ে হোটেল-কর্মী তাঁর ঘরের সামনে উপস্থিত হয়ে অনেক ডাকাডাকিতেও যখন সাড়া পাননি, তখন অন্যদের সাহায্য নিয়ে দরজা ভাঙা হয়। ভাঙতে নায়িকাকে বাথরুমে পড়ে থাকতে দেখা যায় সংজ্ঞাহীন অবস্থায়!

তা হলে সত্যিটা কী? সে প্রশ্নের উত্তর মেলা এখনই সহজ নয়!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here