আর কোনো যাত্রীকে জীবিত পাওয়ার আশা নেই, এটা ধরে নিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ইন্দোর-পটনা এক্সপ্রেসে উদ্ধারকাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৪৩। বিধ্বস্ত ১৪টি কোচও রেললাইন থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।  

রবিবার সারা দিন এবং সোমবার দুপুর পর্যন্ত সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং এনডিআরএফ-এর কর্মীরা উদ্ধারকাজ চালিয়ে যান। সোমবার বিকেল নাগাদ তাঁরা বুঝতে পারেন বিধ্বস্ত কোচগুলো থেকে কাউকে জীবন্ত পাওয়া ‘মিরাকল’ ঘটার মতো। তখনই উদ্ধারকাজ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ২০০ জনেরও বেশি।

তবে রেল সূত্রে জানা যাচ্ছে, এখনও ইন্দোর ও তার আশেপাশের অঞ্চলের অন্তত ৫০ জনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পশ্চিম রেল সূত্রে বলা হয়েছে, শনিবার দুপুরের এই সাপ্তাহিক ট্রেনটিতে চড়ার জন্য ইন্দোর স্টেশনে প্রচুর ভিড় ছিল। ওয়েটলিস্টের যাত্রীও ছিল প্রচুর। অনেকে বিনা টিকিটেও ট্রেনে চড়েছিলেন। স্টেশনের ভেন্ডররা জানান, ট্রেন প্ল্যাটফর্মে আসার অনেক আগে থেকেই দীর্ঘ লাইন পড়েছিল। ভিড় সামলাতে পুলিশ নামাতে হয়েছিল। বিহার ও উত্তরপ্রদেশের যাত্রীরা দীর্ঘদিন ধরেই এই লাইনে ট্রেন বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছে।

নিখোঁজ যাত্রীর সংখ্যা ঠিক কত, জানতে চাওয়া হলে পশ্চিম রেলের রতলাম ডিভিশনের পিআরও জীতেন্দ্র কুমার জয়ন্ত নির্দিষ্ট সংখ্যা বলতে চাননি। তিনি অবশ্য বলেন, সরকারি ভাবে ট্রেনে যাত্রীসংখ্যা ছিল ১২৬৬। কিন্তু যাত্রীদের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে। “শনিবার এই ট্রেনে ওঠার জন্য প্রচণ্ড ভিড় হয়। একটা সাধারণ বগিতে ৯০ জন যাত্রী যাওয়ার কথা। কিন্তু শনিবার দ্বিগুণ যাত্রী ওঠে।” ওয়েটলিস্ট এবং সাধারণ টিকিটধারী যাত্রীদের সংরক্ষিত কামরায় উঠে পড়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি রেলের ওই অফিসার। তাই তাঁর মতে, “যাত্রীসংখ্যা ১২৬৬-র বেশি হতেই পারে।”

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন