শতাব্দী এক্সপ্রেসের থেকে প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি ভাড়া হতে চলেছে প্রস্তাবিত তেজস এক্সপ্রেসের। গত রেল বাজেটে রেলমন্ত্রী সুরেশ প্রভু এই বিশেষ ট্রেনের কথা ঘোষণা করেন। প্রথম দিকে সম্ভবত দিল্লি থেকে লখনউ-এর মধ্যে চলবে এই ট্রেনটি।

প্রস্তাবিত এই নতুন ট্রেনে বিমানের মতো পরিষেবা দেওয়া হবে বলে জানান রেলের এক আধিকারিক। তিনি জানান, উচ্চমানের খাওয়াদাওয়া, ওয়াইফাই পরিষেবার পাশাপাশি থাকবে ‘টয়লেট এনগেজমেন্ট বোর্ড’ অর্থাৎ টয়লেটে কেউ আছে না নেই সেটা জানানোর জন্য থাকবে একটি ডিসপ্লে বোর্ড। যাত্রীদের বিশ্বমানের ভ্রমণের অনুভুতি দেওয়া হবে।

ওই আধিকারিকের মতে, তেজসে এমন কিছু পরিষেবা দেওয়া হবে যা ভারতীয় রেলে আগে কখনও দেওয়া হয়নি। আর যেহেতু উচ্চমানের পরিষেবা দেওয়া হবে তাই ভাড়াও বেশি ধার্য করা হবে।  ভাড়ার ব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়া হলেও, শতাব্দীর থেকে প্রায় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বেশি ভাড়া হবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। তবে শতাব্দীর মতোই দু’টো শ্রেণি থাকবে এই ট্রেনে, একজিকিউটিভ আর চেয়ার কার।

উন্নতমানের পরিষেবার পাশাপাশি প্রত্যেক যাত্রীর জন্যই ব্যবস্থা থাকবে হেডফোন সহযোগে এলসিডি স্ক্রিনের। এর সাথে আরও ২২টি নতুন বৈশিষ্ট্য থাকবে তেজসে যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল পরিবেশ-বান্ধব বাথরুম, সেন্সর থাকা কল, হাত শুকিয়ে নেওয়ার যন্ত্র। সিসিটিভি, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকা এই ট্রেনের কামরাগুলি এই মুহূর্তে কাপুরথালায় তৈরি হচ্ছে।

এখন প্রশ্নে উঠতেই পারে যে দেশে প্রয়োজনীয় জলের জন্য একটি ট্রেন যখন মিরাজ থেকে লাতুর, এই ৩৪২ কিমি পাড়ি দিতে ১৮ ঘণ্টা লাগিয়ে দেয়, সেই দেশের উন্নতির মাপকাঠি কি এই ‘তেজস এক্সপ্রেস’ হতে পারে!       

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here