ওয়েবডস্ক: গত মার্চে ত্রিপুরায় সরকার বদলের পরই একই সঙ্গে এসে হাজির হয় মূর্তি ভাঙার তোড়। যা ত্রিপুরার চৌহদ্দি পেরিয়ে গোটা ভারতেই ছড়িয়ে পড়ে। তবে দেশময় সমালোচনার ঝড় উঠলে অন্যান্য জায়গায় এই প্রবণতা কমে। কিন্তু ত্রিপুরায় যে কে সেই। গত বুধবারও ত্রিপুরার প্রয়াত বামপন্থী নেতা তথা সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির প্রাক্তন সদস্য বৈদ্যনাথ মজুমদারের মূর্তি ভাঙা হয়। এর পরই মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব মূর্তি ভাঙার নিন্দা করে গত শনিবার ঘোষণা করেন, বৈদ্যনাথবাবুর মূর্তি ফের গড়ে দেওয়া হবে।

গত বুধবার রাতে ঊনকোটি জেলার কৈলাশহরে বৈদ্যনাথবাবুর মূর্তিটি ভেঙে দেয় দুষ্কৃতীরা। বিপ্লববাবু জানান, “আমি ডিজির সঙ্গে কথা বলেছি। তাঁকে বলেছি, এই মূর্তি ভাঙার সঙ্গে যুক্ত কেই যেন না ছাড় পায়। আমি এটাও তদন্ত করে দেখতে বলেছি, কেউ বা কারা আমাদের সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে কি না, সেটাও দেখতে। মূর্তি ভাঙা আমাদের সংস্কৃতি নয়”।

lenin
ভেঙে ফেলা লেনিন মূর্তি

বৈদ্যনাথবাবুর মূর্তি নতুন করে তৈরি করার টাকা জোগাবে কে? এমন প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি জানান, “আমি দলের (বিজেপির) কৈলাশহর নেতৃত্বের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলেছি। বলেছি, দলের তহবিল থেকেই যেন ওই মূর্তি গড়ে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে রাজ্য সরকার সর্বতো ভাবে সহযোগিতা করবে”।

প্রয়াত বামপন্থী নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিপ্লব বলেন, “আমি ছাত্র জীবন থেকে তাঁকে চিনি। তিনি এক জন ভালো মানুষ ছিলেন”।

আরও পড়ুন: গণধর্ষণের শিকার হয়ে মৃত ‘গর্ভবতী’ ছাগল! অভিযুক্ত ৮

সিপিএম নেতা বিশ্বরূপ গোস্বামী বলেন, এর আগেও মার্কস, লেনিন, আম্বেদকরের মূর্তি ভেঙেছে বিজেপি। সম্প্রতি মূর্তি ভাঙার প্রতিবাদে সমাজের সমস্ত মানুষের প্রতিরোধ আন্দোলনের মুখে পড়ে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হলেন মুখ্যমন্ত্রী।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন