এডসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের অগ্রগতি লক্ষণীয়

hiv
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: বিশ্বে এডসের ওষুধের মোট যোগানের দুইয়ের তিন শতাংশই সরবরাহ করে ভারত। এই ওষুধ সরবরাহের ক্ষেত্রে এবং এডস আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা ও বিশ্বে তা নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে প্রথম স্থানে রয়েছে ভারত। জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের বিশেষ দূত পৌলমি ত্রিপাঠি জেনারেল অ্যাসেম্বলি সেশনে জানিয়েছেন, এইচআইভি/এডসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে ভারত অসাধারণ ও লক্ষণীয় অগ্রগতি করেছে।

উন্নয়নশীল দেশগুলিতে এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমাতে ও পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাশ্রয়ী মূল্যের জেনেরিক ওষুধ এনেছে ভারত।

প্রতিযোগিতামূলক চাহিদা এবং তার পরিবর্তনের অগ্রাধিকারগুলি যেন এইচআইভি/এডসের সঙ্গে যুদ্ধে পর্যাপ্ত সম্পদ সরবরাহের প্রচেষ্টাকে প্রভাবিত করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য ধারাবাহিক রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন পৌলমি।

আরও পড়ুন – বিশ্ব তামাক বিরোধী দিবসে আর্জি, ধূমপানমুক্ত সুস্থ বিশ্ব গড়ে তুলুন!

পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, সাশ্রয়ী মূল্যের অ্যান্টি রেট্রোভাইরাল ড্রাগস এবং তার গুণমানের ঘাটতি না ঘটে সে দিকে সমান তালে নজর রাখতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে এই লড়াইয়ে চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় পরিষেবা এবং সহযোগিতাগুলিও বজায় রাখতে হবে।

দেশীয় ক্ষেত্রে নতুন করে এই রোগের সংক্রমণ, মায়ের থেকে সন্তানে তা ছড়িয়ে পড়া, এই রোগ নিয়ে জিইয়ে থাকা নানান সংস্কার ও বৈষম্য দূর করার লক্ষ্য মাত্রা নিতে হবে ২০২০ সালের মধ্যে।

জেনারেল অ্যাসেম্বলির প্রথম দফার বৈঠকে সেক্রেটরি জেনারেল অ্যান্টনিও গুটেররেস বলেন, এডসহীন বিশ্ব অকল্পনীয়। যদিও একই সঙ্গে এর বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রচেষ্টা ইতিহাসে নজির তৈরি করতে পারে। লক্ষণীয় অগ্রগতিও ঘটাতে পারে।

তাঁর পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বে এইচআইভি সংক্রমিত রোগীদের মধ্যে চিকিৎসাপ্রাপ্ত রোগীর সংখ্যা গত দশকের থেকে ৫.৫ শতাংশ বেড়েছে। সঙ্গে এই সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মসূচিগুলি এডস ছড়ানো কমিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি মায়ের থেকে এই রোগ সন্তানে ছড়িয়ে পড়া অনেক দেশই কমিয়ে ফেলেছে।  

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.