আধার কার্ড দেখাতে না পারায় বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু কার্গিল শহিদের স্ত্রীর

0

সোনেপত, হরিয়ানা: হাবিলদার লক্ষ্মণ দাস। ১৯৯৯ সালের ৯ জুন কার্গিল যুদ্ধে শহিদ হয়েছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী শকুন্তলা দেবীর বয়স ৫৫। ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। সঙ্গে ছিল হৃদরোগ। বুকের ব্যথা বাড়ায় বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে নিয়ে হরিয়ানার সোনেপতের টিউলিপ নামে এক বেসরকারি হাসপাতালে যান ছেলে পবন কুমার বালিয়ান ও ভাই রবীন্দ্র কুমার।

কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলে, আধার কার্ড ছাড়া ভর্তি নেন না তাঁরা। পবন কুমার তখন নিজের ফোন থেকে মায়ের আধার কার্ডের ছবি দেখান। এবং বলেন ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই আধার কার্ডটি বাড়ি থেকে নিয়ে আসবেন তিনি। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। প্রায় ঘণ্টা দেড়েক ধরে চলা বাদানুবাদের মাঝে পুলিশও ডাকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে হাসাপাতাল ছাড়েন তাঁরা।

এরপর শকুন্তলা দেবীকে এক্স সার্ভিসমেন কন্ট্রিবিউটরি হেলথ সার্ভিস স্কিম হাসপাতালে নিয়ে যান পবন। সেখান থেকে তাঁকে অন্য বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এ সবের মাঝেই মৃত্যু হয় শকুন্তলা দেবীর।  শুক্রবার পুরো ঘটনাটি সংবাদ মাধ্যমে জানান পবন কুমার।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য গোটা ঘটনাটি অস্বীকার করেছে। তাঁদের দাবি, হাসপাতালে ভর্তির জন্য রোগীর আসল আধার কার্ড সঙ্গে থাকা সেখানে বাধ্যতামূলক। কিন্তু চিকিৎসার জন্য সেটা প্রোয়জনীয় নয়। পবন কুমার নাকি তাঁর মাকে হাসপাতালে নিয়েই যাননি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here