Connect with us

দেশ

বাজেট ২০১৯: শিক্ষাখাতে বরাদ্দ ৪০০ কোটি, দক্ষতা বৃদ্ধিতেও জোর নির্মলা সীতারমনের

Budget education

ওয়েবডেস্ক: উচ্চতর শিক্ষায় নতুন নীতি নিয়ে এগোতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। শুক্রবার সাধারণ বাজেট পেশের সময় দেশের প্রথম পূর্ণ সময়ের মহিলা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সেই পরিকল্পনার কথাই ব্যক্ত করলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন,
গবেষণাক্ষেত্রে বিশেষ জোর দিতে চলেছে সরকার। সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতেই একাধিক মন্ত্রক থেকে তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমে একটি জাতীয় গবেষণা সংগঠন তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ দিন বিদেশি পড়ুয়াদের জন্য ‘স্টাডি ইন ইন্ডিয়া’ নামের একটি বিশেষ পরিকল্পনার কথাও জানান অর্থমন্ত্রী। ভারতে বিশ্বমানের পঠনপাঠনের পরিকাঠামো গড়ে তোলাই এই সরকারের লক্ষ্য বলে তিনি দাবি করেন। বলেন, এ দেশের বিশ্ব মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য চারশো কোটি টাকা বরাদ্দ করছে সরকার। ওই টাকায় পরিকাঠামো ঢেলে সাজানো হবে।

একই সঙ্গে ১ কোটি তরুণকে সময়োপযোগী কারিগরি শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধিতেও জোর দিচ্ছে কেন্দ্র। অর্থমন্ত্রী এ দিন সংসদে বলেন, রোবোটিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও ডেটা সায়েন্সের মতো বিষয়ে জোর দেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে জেআইএস গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সর্দার তরণজিৎ সিং বলেন, “আমি শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য চারশো কোটি টাকা বরাদ্দ করার জন্য কেন্দ্রীয় বাজেট ২০১৯-এর প্রশংসা করছি। ‘স্বয়ম’ কর্মসূচির উপর মনোযোগ, ১ কোটি শিক্ষার্থীকে দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদানের বিষয়টি যথেষ্ট উৎসাহব্যঞ্জক। এ দিন বলা হয়েছে, ভারতকে উচ্চশিক্ষার কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। ‘স্টাডি ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগটির মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করার পাশাপাশি শিক্ষাগত সহযোগিতার সম্ভাবনা আরও বৃদ্ধি পাবে”।

দেশ

১৫ আগস্ট? করোনা ভ্যাকসিনের দিনক্ষণ বেঁধে দেওয়া নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল আইসিএমআর

ফের বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে একপ্রকার ‘বাধ্য’ হল আইসিএমআর।

ওয়েবডেস্ক: ১৫ আগস্ট ভারতে তৈরি প্রথম করোনা-ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাক্সিন’ (Covaxin) বাজারজাত করার কথা জানিয়েছিল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)। যা নিয়ে প্রবল বিতর্কের পর শনিবার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল কাউন্সিল।

আইসিএমআরের ডিরেক্টর জেনারেল (DG-ICMR) ড: বলরাম ভার্গব ১২টি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়ে কোভ্যাক্সিনের পরীক্ষানিরীক্ষার কাজ দ্রুত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সরকারের নজরদারিতে পরিচালিত এই কাজে বিলম্ব ঘটলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়। কিন্তু নতুন একটি ভ্যাকসিন (Vaccine) তৈরি করতে যে ধাপগুলি অতিক্রিম করতে হয়, তা এ ভাবে দ্রুতগতিতে সম্ভব নয় দাবি করে আইসিএমআরের নির্দেশের সমালোচনা করেন চিকিৎসা-বিশেষজ্ঞ এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব। এর পরই ফের বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে একপ্রকার ‘বাধ্য’ হল আইসিএমআর।

এ দিন আইসিএমআরের তরফে জানানো হয়, “ডিরেক্টর জেনারেলের চিঠির উদ্দেশ্য ছিল, কোনো ভাবেই যেন ভ্যাকসিনটির পরীক্ষানিরীক্ষা নিয়ে অযথা বিলম্ব না করা হয়। অপ্রয়োজনীয় ভাবে যাতে এই প্রক্রিয়া লাল ফিতের গেরোয় আটকে না থাকে, সে কারণেই ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরীক্ষানিরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়োগ যাতে দ্রুতগতিতে করা যায়, সে বিষয়টিও লক্ষ্য রাখা হয়েছিল।”

আরও স্পষ্ট করে এ দিন বলা হয়, “লাল ফিতের গেরোয় আটকে যাতে ভারতের বাজারে আসতে চলা কোভিড-১৯ সংক্রান্ত কোনো ওষুধ অথবা টেস্টিং কিটের পথে অন্তরায় না সৃষ্টি হয়, সে কারণেই এই নির্দেশ। এর মূল উদ্দেশ্য- কোনো রকমের বিলম্ব না ঘটিয়ে যত দ্রুত সম্ভব বিশাল জনসংখ্যার কাছে এগুলি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়”।

একই সঙ্গে বলা হয়, “ভারতে ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে সমস্ত পদক্ষেপ সঠিক ভাবে নেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোনো অযৌক্তিক কারণে যাতে ভ্যাকসিন তৈরিতে দেরি না হয়, সে দিকে নজর রাখা হচ্ছে। কিন্তু আইসিএমআর-এর পেশাদারিত্বকে কেন প্রশ্নের মুখে তোলা হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ভ্যাকসিন তৈরির কাজ করছে। একই পথে হাঁটছে ভারতও। তবে ভ্যাকসিন তৈরি এবং ট্রায়ালের ক্ষেত্রে যাতে কোনো রকম ভাবে কোন গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বাদ না যায়, সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্বের অন্যান্য দেশে যে ভাবে পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে, এখানেও সেই রীতি মেনেই করা হবে”।

আইসিএমআরের নির্দেশের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বলা হয়, “মন্তব্যকারীদের উত্থাপিত বিষয়গুলিকে স্বাগত জানানো হয়েছে, কারণ তাঁদের মন্তব্যও এই প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তবে ভারতের জনগণের স্বার্থ এবং সুরক্ষায় অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে”।

সমালোচকরা কী বলেছিলেন?

দেখুন এখানে ক্লিক করে: “১৫ আগস্টেই বাজারে আসবে, তবে ২০২১-এ,” কোভ্যাক্সিন নিয়ে সরকারি সময়সীমার তীব্র নিন্দা বিশেষজ্ঞদের

Continue Reading

দেশ

পাশের আসনে বসা নেতা করোনা আক্রান্ত! বিহারের মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে উদ্বেগ

একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে যাঁরা বসেছিলেন, তাঁদের মধ্যে ওই করোনা আক্রান্তও রয়েছেন।

ওয়েবডেস্ক: সম্প্রতি একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) এবং তাঁর সচিব-সহ দলীয় নেতৃত্ব। সেখানে তাঁর পাশের আসনে বসা এক দলীয় নেতা করোনাভাইরাস (Coronavirus) আক্রান্ত হওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়েও উদ্বেগ বাড়ল।

এর পরই মুখ্যমন্ত্রী-সহ অন্যান্যদের কোভিড -১৯ (Covid-19) পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়।

গত ১ জুলাই বিহার বিধানসভা পরিষদের নতুন সদস্যদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে হাজির ছিলেন পরিষদের চেয়ারম্যান অবধেশ নারায়ণ সিং। গত শুক্রবার তাঁর লালারসের নমুনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসে। শনিবারই তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসে।

একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে যাঁরা বসেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অবধেশও রয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকের মুখে সাদা রঙের কাপড়ের টুকরো দিয়ে ঢাকা ছিল। কথা বলার সময় করোনা ভাইরাস একজনের থেকে অন্য জনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। যে কারণে স্বাস্থ্যসুরক্ষার নির্দেশিকা মেনেই তাঁরা মুখ ঢেকেছিলেন।

ওই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীলকুমার মোদী, বিধানসভার অধ্যক্ষ বিজয়কুমার চৌধুরি, মন্ত্রী শ্রাবণ কুমার, মঙ্গল পাণ্ডে এবং বিনোদ নারায়ণ ঝা। এ ছাড়া বিজেপি নেত্রী রিনা যাদব এবং বিধায়ক আবদুল সিদ্দিকি, ভোলা যাদব এবং অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষ এবং সচিবালয়ের অন্যান্যদেরও লালারসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) নিয়েও একই ধরনের উদ্বেগ দেখা দেয়। সামান্য জ্বর আসায় তাঁরও নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তবে তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। তবে তাঁর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সতেন্দ্র জৈন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্লাজমা থেরাপির পর তিনি সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে এসেছেন।

Continue Reading

দেশ

দিল্লি, মুম্বই-সহ ছয় শহর থেকে কলকাতাগামী সব উড়ান আপাতত বন্ধ

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধ মেনে নিল কেন্দ্র। দিল্লি, মুম্বই-সহ ছয় শহর থেকে কোনো উড়ান আগামী ১৪ দিন কলকাতায় আসবে না।

শনিবার কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata Airport) কর্তৃপক্ষের তরফে টুইট করে জানানো হয়, দিল্লি, মুম্বই, পুনে, নাগপুর, চেন্নাই ও অমদাবাদ থেকে ৬ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত কোনো উড়ান কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেবে না। আগামী সোমবার থেকেই পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে।

গত কয়েক দিন ধরেই করোনার সংক্রমণ বাড়ছে কলকাতায়। উল্লেখযোগ্য ভাবে সংক্রমণ বেশি হচ্ছে শহরের বহুতলগুলিতে। এর পরিপ্রেক্ষিতেই রাজ্য সরকার মনে করছিল, যে দেশের যে সব শহরে করোনার সংক্রমণ সব থেকে বেশি, সেখান থেকে মানুষ করোনায় সংক্রমিত হয়ে কলকাতায় আসছেন।

করোনা যাতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে কারণে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে কেন্দ্রের কাছে এই সব শহর থেকে কলকাতায় আসার বিমান বন্ধ করার আবেদন করা হয়। সেই আবেদনই মেনে নিয়েছে কেন্দ্র।

তবে কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের আবেদন ছিল উল্লেখিত শহরগুলির পাশাপাশি সুরাত আর ইনদওর থেকেও কলকাতাগামী বিমান বন্ধ রাখা হোক। যদিও সেই আবেদন কেন্দ্র মানেনি।

তবে বিশেষজ্ঞ মহল মনে করেন, বেঙ্গালুরু ও হায়দরাবাদে যে ভাবে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে, তাতে ওই দুই শহর থেকেও কলকাতার উড়ান আপাতত বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

Continue Reading
Advertisement
দেশ11 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২২,৭৭১, সুস্থ ১৪,৩৩৫

দেশ1 day ago

দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যায় নতুন রেকর্ড, সুস্থতাতেও রেকর্ড

ক্রিকেট2 days ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

ক্রিকেট2 days ago

২০১১ বিশ্বকাপ কাণ্ড: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হল কুমার সঙ্গকারা, মাহেলা জয়বর্ধনকে

SBI ATM
শিল্প-বাণিজ্য2 days ago

এসবিআই এটিএমে টাকা তোলার নিয়ম বদলে গেল

দেশ1 day ago

‘সবার টিকা লাগবে না, আর পাঁচটা রোগের মতোই চলে যাবে করোনা’, আশ্বাস অক্সফোর্ডের বিজ্ঞানীর

কলকাতা8 hours ago

কলকাতায় অতিসংক্রমিত ১৬টি অঞ্চলকে পুরোপুরি সিল করে দেওয়ার প্রস্তুতি

কলকাতা3 days ago

ডাক্তার দিবসে করোনা যোদ্ধাদের সম্মান জানাল সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস, পাশে আইএমএ, এনআরএস

নজরে