লখনউ: গরুকে নিয়ে সরগরম রাজনৈতিক মহল। কিছু দিন আগেই ঘোষণা হয়েছিল প্রতিটা রাজ্যে তৈরি হবে গরুর অভয়ারণ্য। তার পরের দিনই জানা গেল গরুদের জন্য আধার কার্ডের ব্যবস্থা করছে কেন্দ্র। এ বার গরুদের জন্য বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু হল।

কিছু দিন আগেই গরুদের জন্য এই বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা চালু হয়েছিল মধ্যপ্রদ্রেশে, সেই তালিকায় এ বার নাম লেখাল উত্তরপ্রদেশ। আহত গরুদের দ্রুত গো-শালা বা পশু চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য রাজ্যে যাত্রা শুরু করল  ‘গো-বংশ চিকিৎসা ভ্যান’, একটি বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা। সূচনা করলেন রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য।

শ্রমিক সংগঠন হিসেবে পরিচিত ‘মজদুর কল্যাণ সংগঠন’-এর সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি নিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। আপাতত ইলাহাবাদ, গোরক্ষপুর, লখনউ, মথুরা এবং বারাণসীতে এই পরিষেবার সুবিধা পাবে আহত গরুরা।

এই অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার পাশাপাশি একটি ‘টোল-ফ্রি’ নম্বরও চালু করেছে রাজ্য সরকার। আহত গরুকে সাহায্যে এগিয়ে আসা মানুষরা এই নম্বরের সুবিধা নিতে পারবেন। মজদুর কল্যাণ সংগঠনের সভাপতি সঞ্জয় রাই জানান, দুধ দেওয়ার সময় চলে যাওয়ার পর গরুদের যারা পরিত্যক্ত করে দেয়, তাদের  বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে এই সংগঠন। পাশাপাশি গরুকে যদি প্লাস্টিকের জিনিস খেতে বাধ্য করা হয় তা হলে পৌর আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান রাই।

এই অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার ব্যাপারে পশুপালন দফতরের ডেপুটি ডিরেক্টর খারগোনে উইলসন দাওয়ার বলেন, “রাজ্যে পশু হাসপাতাল রয়েছে, কিন্তু আহত গরুদের সেই হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়াটা সমস্যা ছিল, এর ফলে অনেক গরুরই মৃত্যু হত। সেই সমস্যা এ বার মিটবে।”

আহত গরুদের জন্য এই অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ, কিন্তু গরুর পাশাপাশি গাড়ির ধাক্কায় আহত হওয়া কুকুর-বেড়ালদের জন্য এ রকম পরিষেবা সূচনা করলে আরও ভালো হত, এমনই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here