parliament
প্রতিনিধিত্বমূলক ছবি

ওয়েবডেস্ক: শুধু ভারতে নয়, সমগ্র বিশ্বের মধ্যেই সব থেকে জনবহুল রাজ্য হিসাবে স্বীকৃতি পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ। ব্রাজিলের (একটা গোটা দেশ) থেকেও বেশি মানুষ বাস করেন উত্তরপ্রদেশে। একই ভাবে বৃহত্তম গণতন্ত্রের উৎসবে সব থেকে বড়ো ভূমিকা নিতে চলেছে এই রাজ্যটিই। কী কারণে?

লোকসভার আসন সংখ্যার দিক থেকেও দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ স্থান অধিকার করে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। মোট ৮০ লোকসভা আসনের মধ্যে ২০১৪ সালের ভোটে নরেন্দ্র মোদীর ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদী’ দল বিজেপি জয় পেয়েছিল ৭১টি আসনে।

গত লোকসভায় সব মিলিয়ে ৫৪৫ আসনের মধ্যে বিজেপির দখলে গিয়েছিল ২৮২। এগুলির মধ্যে ৭১টি-ই এসেছিল উত্তরপ্রদেশে। অতীতে এ ভাবে ২৮২ আসনের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার নজির যেমন নেই, তেমনই প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসও অতীতের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে সর্বনিম্ন ৪৪টি আসনে জয়লাভ করে গতবার। এর মধ্যে মাত্র ২টি আসন তারা দখল করতে সক্ষম হয়েছিল উত্তরপ্রদেশ থেকে।

স্বাভাবিক ভাবেই পরিস্থিতির বিবেচনা এবং পর্যবেক্ষণ করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা জোরের সঙ্গেই দাবি করছেন, এ বারও কেন্দ্রের সরকার গঠনে মুখ্য ভূমিকা নিতে চলেছে উত্তরপ্রদেশ। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের সরকার গঠনে মূল ভূমিকা নেওয়া উত্তরপ্রদেশ এমনিতেই দেশকে দিয়েছে ৯ জন প্রধানমন্ত্রী। গত ২০১৪ সালেও বারাণসী থেকে জিতে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী। এ বারও তিনি নিজের কেন্দ্রেই প্রার্থী হয়েছেন।

[ দফা ৭ লাইভ: দেখুন এখানে ক্লিক করে ]

অন্য দিকে উত্তরপ্রদেশে প্রার্থী হয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও। একই সঙ্গে বিএসপিনেত্রী মায়াবতী আগাম জানিয়ে রেখেছেন, পরিস্থিতি অনুকূল হলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন নিজের রাজ্যের কোনো একটি কেন্দ্র থেকেই। এখন দেখার, প্রধানমন্ত্রী জোগান দেওয়ার রেকর্ড এ বারও অব্যাহত রাখতে পারে কি না মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের এই রাজ্য!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here