ওয়েবডেস্ক: ঋণাত্মক চিহ্নযুক্ত দুই সংখ্যার যোগফল সব সময় ধনাত্মক হবে। গণিতে এমন বৈপ্লবিক আবিষ্কারটি করলেন উত্তরাখণ্ডের শিক্ষামন্ত্রী। যদিও তাবড় তাবড় গণিত বিশারদরা এখনও অবশ্য মেনে নেননি। শিক্ষামন্ত্রী অরবিন্দ পাণ্ডে তাঁর রাজ্যেরই এক শিক্ষিকাকে নতুন করে শেখালেন অঙ্ক। শিক্ষিকার উত্তর রসায়নের ক্ষেত্রে ঠিক হলেও বুনিয়াদী গণিতের নিয়ম অনুযায়ী তা ভুল, এমনই যুক্তি অরবিন্দবাবুর।

সম্প্রতি না বলে কয়ে হঠাৎই রাজ্যের এক স্কুল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন সে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। স্কুলে চলতে থাকা রসায়ন ক্লাসে ঢুকে অরবিন্দবাবু কিছু ‘বুনিয়াদী’ প্রশ্ন করেন ক্লাসের মহিলা শিক্ষককে। (-১) এবং (-১) যোগ করলে ফলাফল হয় (-২), বলেছিলেন রসায়ন শিক্ষিকা। শিক্ষামন্ত্রী রীতিমতো ধমকের সুরে জানান, উত্তর হবে (০)। শুধু তাই নয়, শিক্ষিকার টেবিলে রাখা রসায়ন বই-এর চতুর্থ অধ্যায়ের নাম জিজ্ঞেস করা হয় আবার। সঠিক উত্তর দিতে না পারলে শিক্ষিকাকে জানানো হয়, ‘মহিলা’ বলে ‘ছেড়ে’ দেওয়া হল ওই তাঁকে।

রসায়ন বই-এর চতুর্থ অধ্যায়ের নাম জিজ্ঞেস করে কী ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পঠনপাঠনের মূল্যায়ন করা সম্ভব, সে প্রশ্নের উত্তর কে দেবে? শ্রী পাণ্ডে আরও বলেন, রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় পাঠ্য বই-এর বদলে জোর দেওয়া হচ্ছে সহায়ক বই-এর ওপর। সে রাজ্যের গণিতের পাঠ্য বই কি তবে এই বুনিয়াদী নিয়ম নিয়ে অন্য কথা বলে? কে জানে!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here