বডোদরা: মানুষের খাদ্যাভ্যাসে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগ এ দেশে নতুন কিছু নয়। ২০১৪ সালের পর থেকে সেই নিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। এরই মধ্যে বিতর্কিত ফরমান জারি করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর রাজ্য গুজরাতের বডোদরা শহর।

নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে এই শহরে এখন থেকে আর আমিষ খাবার প্রকাশ্যে ফেরি করা যাবে না। প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে দেখলেই দিতে হবে জরিমানা। তবে নিরামিষ খাবার বিক্রিতে কোনো বাধা নেই। এই ফরমান সামনে আসতেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষ।

সম্প্রতি এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে গুজরাতেরই রাজকোট। সেই শহরের মেয়র সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, আমিষ দ্রব্য বিক্রির জায়গা চিহ্নিত করে দেওয়া হবে। তার বাইরে ফেরিওয়ালা কাবাব-তন্দুরি বিক্রি করতে গেলেই জরিমানার খাঁড়া। সেই তালিকাতেই এ বার ঢুকছে প্রতিবেশি বডোদরা।

সূত্রের খবর, বডোদরা পুরসভার স্থায়ী কমিটির চেয়ারপার্সন হিতেন্দ্র পটেল মৌখিক ভাবে এই নির্দেশ দিয়েছেন। নির্দেশ মৌখিক হওয়ায়, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভ্রান্তিও শুরু হয়েছে। কারণ, কী ভাবে সেই নির্দেশের বাস্তবায়ন সম্ভব, তা বুঝে উঠতে পারছেন না নিচু তলার সরকারি কর্মীরা। এ দিকে তাঁদের উপরই প্রয়োগের ভার।

অসমর্থিত সূত্রে পাওয়া একটি ভিডিও বার্তায় হিতেন্দ্র বলেছেন, ‘‘আমি নির্দেশ দিয়েছি, সুস্বাস্থ্যের খাতিরে মাংস, মাছ বা ডিমের খাবার বিক্রি করা স্টলগুলো যেন ভালো ভাবে তা ঢেকে রাখে। তাঁরা যেন কোনো ভাবেই বড়ো রাস্তায় এসে না পড়েন, তাতে ট্রাফিকের সমস্যা হতে পারে।”

খবর অনলাইন ওই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি। তবে সেখানে তিনি আরও বলেচেন, “কোনো আমিষ খাবার বাইরে থেকে দেখা না যায়, সেটা দোকানিদের নিশ্চিত করতে হবে। তা পথচলতি মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত দিতে পারে।”

আরও পড়তে পারেন

আপনি কি সাইবার জালিয়াতির শিকার? অভিযোগ জানানোর জন্য নতুন পরিষেবা চালু করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন