essay on communal harmony

ওয়েবডেস্ক: হিন্দু জাতীয়তাবাদের হুজুগে এখন বিফলে যেতে বসেছে অটলবিহারী বাজপেয়ীর একটি উদ্যোগ। পড়ুয়াদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং একাত্মতা বাড়ানোর জন্য এক কালে যে উদ্যোগ যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছিল।

১৯৯৮ সালে তৎকালীন বাজপেয়ী সরকার এই উদ্যোগ নেয়। পরিকল্পনা মাফিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং একাত্মতা বাড়ানোর জন্য দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে একটি রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে হত। পরিকল্পনা মাফিক স্কুলের প্রতিযোগিতায় সেরা তিনটে রচনা বেছে নিতেন বিচারকরা। শ্রেষ্ঠ রচনাগুলির জন্য উপহারস্বরূপ আর্থিক অনুদান দিত কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রক।

এখন দেখা যাচ্ছে ২০১৭-তে এই প্রতিযোগিতার জন্য কোনো আর্থিক অনুদান দেয়নি কেন্দ্র। শুধু ২০১৭ নয়, এমনটি ঘটেছে ২০১৪ এবং ২০১৫-তেও। তথ্যের অধিকার আইনে (আরটিআই) এই সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছিল হিদুস্তান টাইম্‌স। সেখানে দেখা যাচ্ছে পরপর তিন বছর এই রচনা প্রতিযোগিতা উপলক্ষে কোনো অনুদান দিতে হয়নি কেন্দ্রকে। এই ব্যাপারে কেন্দ্রের এক আধিকারিককে প্রশ্ন করা হলে, তিনি রাজ্যের ঘাড়েই দোষ চাপিয়ে দেন।

তাঁর কথায়, “এই উদ্যোগের ব্যাপারে রাজ্যগুলি আর বিশেষ আগ্রহ দেখাচ্ছে না। আমরাও এই ব্যাপারে কিছু আলোচনা করিনি, পরের বছর করা হতে পারে।” এই পরিকল্পনায় স্কুলের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানাধিকারী পড়ুয়া উপহার হিসেবে পেত যথাক্রমে ১০০০, ৬০০ এবং ৪০০ টাকা। কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে পুরস্কারের অঙ্ক ছিল ৫০০০, ৩০০০ এবং ২০০০ টাকা।

বিদেশমন্ত্রকের এক আধিকারিকের কথায়, “১৯৯৮ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়ার পর প্রতি বছর অন্তত ৪০-৫০ পড়ুয়াকে পুরস্কার দেওয়া হত। সব থেকে বেশি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে ২০১১ সালে। সে বার ৯০ জন পড়ুয়াকে পুরস্কৃত করা হয়েছিল।”

রাজ্যের তরফ থেকে প্রস্তাব আসছে না বলেই যে কেন্দ্র আর আর্থিক আনুদান দিচ্ছে না সে ব্যাপারেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন ওই আধিকারিক।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here