ঘূর্ণিঝড় বায়ুর প্রভাবে পোরবন্দরে জলোচ্ছ্বাস।

ওয়েবডেস্ক: বলা যেতে পারে সঠিক পূর্বাভাস দিতে এ বার কিছুটা ব্যর্থ হল কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বায়ু সরাসরি গুজরাত উপকূলে আঘাত হানছে না। গুজরাত উপকূলের গা ঘেঁষে বেরোবে সে। ফলে প্রবল বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও সাংঘাতিক দুর্যোগ থেকে মুক্তি পেল গুজরাত।

অবশ্য ২৪ ঘণ্টা আগেই কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস সম্পূর্ণ উলটো ছিল। তাদের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল দক্ষিণ গুজরাতের দিউয়ের কাছাকাছি দিয়ে এই ঝড় স্থলভাগ অতিক্রম করবে। বুধবার সন্ধ্যায় আবার জানানো হয়, দিউ নয়, বায়ু ঢুকবে একটু পশ্চিম ঘেঁষে সোমনাথ হয়ে। এর পরেই আমুল বদলে গেল পূর্বাভাস। রাতে জানানো হয় আর কোনোভাবেই স্থলভাগে ঢুকবে না সে। গুজরাতের উপকূলের গা ঘেঁষে বেরিয়ে সাগরেই বিলীন হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন তীব্র গরমের পর অবশেষে স্বস্তির ঝড়বৃষ্টি!

ঠিক এ রকম পূর্বাভাসই ১১ জুন করেছিল বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা। সংস্থার কর্ণধার রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা জানিয়েছিলেন, “গুজরাত উপকূলের গা ঘেঁষে উত্তরপশ্চিম দিকে এগোতে পারে বায়ু।” বুধবার সকালে সেটা তুলে ধরে খবর অনলাইনও।

বুধবার সকালে খবর অনলাইনের করা রিপোর্ট।

বায়ু শেষ পর্যন্ত কিছুটা রণে ভঙ্গ দেওয়ায় ভয়বাহ দুর্যোগের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে গুজরাত। তবে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সতর্কতা এখনও বহাল থাকছে। কারণ ঘূর্ণিঝড় সাগরের ওপর দিয়ে বেরোলেও রাজ্যের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। প্রবল বৃষ্টির পাশাপাশি যথেষ্ট ঝোড়ো হাওয়াও বজায় থাকবে। তবুও যে ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা করা হচ্ছিল, সেটা এ বার কমবে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here