deepak mishra impeachment

নয়াদিল্লি: প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্রকে অপসারণের উদ্দেশ্যে আনা ইমপিচমেন্ট নোটিশ গ্রহণ করলেন না উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার অধ্যক্ষ বেঙ্কাইয়া নাইড়ু। ফলে বিচারব্যবস্থার সর্বোচ্চ আসনে দীপক মিশ্রের থেকে যাওয়ার ওপর আর কোনো সমস্যা রইল না।

শুক্রবার কংগ্রেস-সহ সাত বিরোধী দল ইমপিচমেন্টের নোটিশ উপরাষ্ট্রপতির হাতে দিয়েছিল। নোটিশে রাজ্যসভার সাংসদ-সহ ৭১ জনের সই ছিল। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের কাজকর্ম শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই এই আবেদন খারিজ করে দেন নাইড়ুু।

সারমর্ম না থাকার কারণ দেখিয়ে এই আবেদন খারিজ করেছেন উপরাষ্ট্রপতি। দীপক মিশ্রের বিরুদ্ধে যে পাঁচটা অভিযোগ বিরোধী দলগুলি এনেছে সেগুলিকে অসত্য বলেও আখ্যা দেন তিনি।

ইমপিচমেন্ট নোটিস জমা পড়ার পরই আইনি পরামর্শ নিতে শুরু করেন বেঙ্কাইয়া। সূত্রের খবর, অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে বেণুগোপাল ছাড়াও তিনি আলোচনা করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডি, লোকসভার প্রাক্তন সেক্রেটারি জেনারেল সুভাষ কাশ্যপ, প্রাক্তন আইন সচিব পি কে মলহোত্রা, প্রাক্তন সংসদীয় সচিব সঞ্জয় সিংহ এবং রাজ্যসভার সচিবালয়ের শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে।

তবে যে ভাবে ইমপিচমেন্টের আবেদন খারিজ করেছেন বেঙ্কাইয়া, তার পরেই বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে। প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ দাবি করেছেন, ইমপিচমেন্টের নোটিশে ৫০ জনের বেশি সাংসদের সই থাকলে এটা খারিজ করার কোনো অধিকার নেই উপরাষ্ট্রপতির। তিনি বলেন, “কোন্‌ যুক্তিতে এই আবেদন খারিজ করেছেন নাইড়ুু। আবেদনের জন্য ৫০ জনের সই দরকার ছিল, কিন্তু রয়েছে ৬৪ জনের। প্রধান বিচারপতির অভিযোগের সারমর্ম আছে কি না সেটা দেখার দায়িত্ব তিন সদস্যের কমিটির, তাঁর নয়।” কংগ্রেস সূত্রে খবর, নোটিশ খারিজ হয়ে যাওয়ার পরে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু করেছে তারা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here