যোগী সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে নিহত হিন্দু নেতার ছেলের বিস্ফোরক দাবি

0
Satyam Tiwari
সত্যম তিওয়ারির বিস্ফোরক দাবি

লখনউ: শুক্রবার নিজের বাড়িতে খুন হয়ে যান হিন্দু মহাসভার প্রাক্তন সভাপতি কমলেশ তিওয়ারি। শনিবার তাঁর ছেলে দাবি করেন, সন্ত্রাস-বিরোধী ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)-র মামলাটি তুলে দেওয়া হোক। কমলেশের ছেলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা সত্যম স্পষ্টতই জানিয়েছেন, তাঁরা প্রশাসনের উপর ভরসা করছেন না।

শনিবার সংবাদ সংস্থা এএনআইকে সত্যম জানান, “আমরা ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিকে দিয়ে মামলার তদন্ত করাতে চাই। আমরা কারও উপর বিশ্বাস করি না। আমার বাবার নিরাপত্তারক্ষী থাকা সত্ত্বেও তাঁকে খুন করা হয়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমরা কী ভাবে প্রশাসনের উপর নির্ভর করতে পারি?”

শুক্রবার হিন্দু সমাজ পার্টি নেতা কমলেশের গলার নলি কাটা হয়েছিল এবং একাধিকবার তাঁকে গুলিবিদ্ধ করেছিল দুষ্কৃতী।

যদিও স্থানীয় থানা থেকে আগেই কমলেশের সশস্ত্র সুরক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। দু’জন বন্দুকধারী এবং একজন প্রহরী নিয়োগ করা হয়েছিল তাঁর নিরাপত্তায়। তবে গত শুক্রবার ঘটনার সময় বন্দুকধারীরা অনুপস্থিত ছিলেন। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, নিযুক্ত প্রহরী সন্দেহভাজনদের গেটে থামায় এবং তাদের পরীক্ষা করার পরেই শুধুমাত্র প্রবেশের অনুমতি দেয়।

সত্যম তিওয়ারি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “আমি জানি না যে ধৃতরা আমার বাবাকে খুন করেছে কিনা বা অন্য কেউ করেছে? নির্দোষ লোকদের ফাঁসিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যদি এরা প্রকৃত অপরাধী হয় এবং পুলিশের কাছে ভিডিও প্রমাণ থাকে তবে এনআইএকে তদন্ত করতে দেওয়া উচিত। যদি তারা তদন্ত করে এবং ধৃতরাই অপরাধী প্রমাণিত হয়, তা হলেই আমরা সন্তুষ্ট হব। এই প্রশাসনে আমাদের বিশ্বাস নেই”।

আরও পড়ুন: হিন্দু সংগঠনের নেতা কমলেশ তিওয়ারিকে গুলি করে খুন

এ দিন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিক ও পি সিং জানান, কমলেশ-হত্যাকাণ্ডে মোট পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে গুজরাত থেকে তিন জন এবং উত্তরপ্রদেশ থেকে দু’জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর তথ্য অনুসারে, গুজরাত থেকে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন- মৌলানা মহসিন শেখ (২৪), রাশিদ আহমেদ পাঠান (২৩) এবং ফয়জান (২১)। অন্য দু’জন মৌলানা আনোয়ার-উল হক এবং মুফতি নইম কাজমিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here