ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ নিয়ে ধন্দ অব্যাহত

0

ওয়েবডেস্ক: বঙ্গোপসাগরের আসন্ন ঘূর্ণিঝড় ‘ফেনী’ ( নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হলে বাংলাদেশের দেওয়া এই নামে নাম হবে) নিয়ে এখনও ধন্দে রয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। ঘূর্ণিঝড়টি ঠিক কোথায় আঘাত হানতে পারে, সে ব্যাপারে এক একটি সংস্থা এক এক রকম কথা বলে যাচ্ছে।

এই নিয়ে ধন্দে রয়েছে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরই। বুধবার আবহাওয়া দফতর তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছিল ঘূর্ণিঝড়টি আগামী ৩০ এপ্রিল উত্তর তামিলনাড়ু উপকূল দিয়ে ভারতের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সেই পূর্বাভাস থেকে কিছুটা সরে এসেছে তারা। বৃহস্পতিবার তারা জানিয়েছে ৩০ এপ্রিল উত্তর তামিলনাড়ু উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছে যাবে এই ঝড়। যার জন্য তামিলনাড়ুতে প্রবল বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এ দিকে আবহাওয়া সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক একটি সংস্থা জানিয়েছে, তামিলনাড়ু উপকূলে আঘাত হেনে ঝড়টি আবার বঙ্গোপসাগরে ঘুরে যাবে। তার পরবর্তী অভিমুখ হতে পারে বাংলাদেশে-মায়ানমার উপকূল। এই পূর্বাভাসের সঙ্গে একমত মার্কিন আবহাওয়া সংস্থাও।

আরও পড়ুন ভাটপাড়া উপনির্বাচনে প্রাক্তন মন্ত্রীকে প্রার্থী করল তৃণমূল

আবার অন্য একটি সংস্থার দাবি, তামিলনাড়ুতে ঝড়টি ঢুকে কেরল হয়ে প্রবেশ করবে আরব সাগরে। সেখানে আবার নতুন করে ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি নিতে পারে সে। আবার অন্য একটি সংস্থার মতে, ঝড়টি তামিলনাড়ুতে যাবেই না। বরং ক্রমশ ওপরের দিকে উঠতে থাকবে। বাংলাদেশ-মায়ানমারকে আঘাত হানার সম্ভাব্য জায়গা বললেও, পশ্চিমবঙ্গ উপকূলকেও সন্দেহের তালিকা থেকে বাধ রাখছে না তারা। তবে বেশির ভাগ সংস্থাই বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলের ওপরেই বেশি নজর রাখছে।

এই প্রসঙ্গে বলে রাখা যেতে পারে, ঘূর্ণিঝড় যদি তামিলনাড়ুর দিকে যায়, তা হলে রাজ্যে গরম প্রবল ভাবে বাড়তে পারে। কারণ সে ক্ষেত্রে উত্তর ভারতে থাকা সমস্ত জলীয় বাষ্প সে নিজের দিকে টেনে নিতে পারে, যার ফলে রাজ্যের বায়ুমণ্ডলে ঢুকে পড়তে পারে গরম হাওয়া। আর যদি বাংলাদেশ-মায়ানমারের দিকে অভিমুখ হয়, তা হলে রাজ্যে নামতে পারে স্বস্তির বৃষ্টি।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here