‘হিন্দি চাপানোর’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রথম পাঁচের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ

0

ওয়েবডেস্ক: শনিবার হিন্দি নিয়ে অনেক কিছুই বলেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানিয়েছিলেন, দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে পারে একমাত্র হিন্দি। এর পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে আঞ্চলিক বিরোধীরা। ‘হিন্দি চাপানোর’ বিরুদ্ধে সরব হন অহিন্দিভাষী ভারতীয়রাও।

বিরোধিতায় সরব হয়েছে বিভিন্ন রাজ্য। আর ‘হিন্দি চাপানোর’ বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার নিরিখে প্রথম পাঁচটি অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।

উল্লেখ্য, শনিবার হিন্দির হয়ে অমিত শাহের সওয়ালের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় #stophindiimposition বলে একটি হ্যাশট্যাগ ট্রেন্ড করতে শুরু করে। গত সোমবার সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত এই হ্যাশট্যাগ নিয়ে টুইটার আর ফেসবুকে যা পোস্ট হয়েছে তার একটি বিশ্লেষণ করেছে দ্য কুইন্ট

সোমবার সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত যত পোস্ট ওই হ্যাশট্যাগ নিয়ে হয়েছে, তার সব থেকে বেশি হয়েছে তামিলনাড়ু থেকে। এমনিতেই ‘হিন্দি চাপানোর’ বিরুদ্ধে সব সময় সরব হয় তামিলনাড়ু। এ বারও তার অন্যথা হয়নি। হিন্দির বিরুদ্ধে ‘জেহাদে’ পঞ্চম স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। এ রাজ্যেও সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এ ছাড়াও প্রথম পাঁচের মধ্যে রয়েছে কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্র। তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে কেরল এবং অন্ধ্রপ্রদেশ।

লাল রঙ জানাচ্ছে কোন অঞ্চল ‘হিন্দি চাপানোর’ বিরুদ্ধে সব থেকে বেশি সরব। :

তবে সব থেকে অবাক করা ব্যাপার হল, এই তালিকায় দু’নম্বর স্থানে রয়েছে দিল্লি। তামিলনাড়ুতে এই হ্যাশট্যাগ নিয়ে যখন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পোস্ট করেছেন, তখন দিল্লিতে পোস্ট করেছেন ২৮ হাজার মানুষ।

আরও পড়ুন ফের ঝামেলা লাগল শিবসেনা-বিজেপিতে

এ ছাড়াও, আরও যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে তা হল হিন্দির বিরুদ্ধে পোস্ট করা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৭৩ শতাংশই পুরুষ। অর্থাৎ, পুরুষরা যে হিন্দির বিরুদ্ধে একটু বেশিই সরব হয়েছেন তা বলাই বাহুল্য।

এ ছাড়াও ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপও হিন্দির ব্যাপারে মানুষের মতামত চেয়ে অনলাইন ভোটাভুটির আয়োজন করেছে। সেখানেও সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষই হিন্দির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন। ফলে বোঝাই যাচ্ছে কেন্দ্র যদি ‘হিন্দি চাপানোর’ ব্যাপারে সওয়াল করেই যায়, তা হলে বিরোধিতার সুরও চড়বে।

সম্ভবত অহিন্দিভাষী মানুষের আবেগকে আন্দাজ করেই গত সোমবার সন্ধ্যায় একটি টুইট করে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদিউরাপ্পা জানিয়ে দেন, কর্নাটকের সংস্কৃতির সঙ্গে কোনো রকম আপস তিনি মেনে নেবেন না। ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দেন ‘হিন্দি চাপানো’ তিনি সমর্থন করেন না।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.