rahul

ওয়েবডেস্ক: ভোটের প্রচারে সেই কবে থেকে হত্যে দিয়ে গুজরাতে পড়ে আছেন কংগ্রেসের ভাবী সভাপতি রাহুল গান্ধী। স্বাভাবিক ভাবেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর একেবারে ঘরের খাবারেই চলছে রাহুলের দিনযাপন। খাকরা, আচার হোক বা মুগফলি, তাঁর পাতে যখনই যা পড়ছে সবই গুজরাতি। সারা দিনের ভোট প্রচারের পর শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে খুব একটা ভাবার অবকাশও মেলে না। ফলে উদয়াস্ত পরিশ্রমের পর হাতের কাছে যা মিলে যায়, তাই যথেষ্ট। নিজের বাসভবনে থাকলে তবুও বা কিছুটা শরীরচর্চা চলে। তাই বলে সে সব আবার আহামরি কিছু নয়। কিন্তু গুজরাতে গিয়ে সে সবেরও ফুরসত নেই। যার ফলে রাহুলের শরীরে বাসা বাঁধছে মেদ। তিনি নিজে মুখেই স্বীকার করলেন সে কথা।

কচ্ছের আনজারে প্রচার-মিছিল থেকে এক দলীয় কর্মীকে তিনি বলেন, “কাল আমার বোন এসেছিল। সে তো রান্নাঘরে ঢুকে অবাক। সব উপকরণই যে গুজরাতি রান্নার। আসলে আপনারা আমার অভ্যেসটাই বদলে দিয়েছেন। আমার ওজন বেড়ে যাচ্ছে।”

খাদ্য বিশারদরাও বলছেন, রাহুলের দাবি অমূলক নয়। অমদাবাদী গুজরাতি মানে, গুজরাতে অতি প্রচলিত ফাস্টফুড আদতে ওজন বাড়াতে যথেষ্ট সহায়ক। চিনির পরিমাণ অধিক মাত্রায় ব্যবহৃত হওয়ায় শরীরে সুগারের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে, বিশ্বের মধ্যে গুজরাতিরা যুব বয়সে সব চেয়ে বেশি হৃদরোগে আক্রান্ত হোন।

যদিও রসিকতার ঢংয়ে কথাগুলি শেষ করেই রাহুল ফিরে যান নিজস্ব মুডে। বলেন, “গত কাল আমি নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্য শুনেছি। তাঁর কথার ৬০ শতাংশ জুড়েই ছিল কংগ্রেস ও আমার সমালোচনা। কিন্তু আমি মনে করি, এই ভোট শুধু মাত্র কংগ্রেস আর বিজেপির লড়াই নয়। এই ভোটের ফলাফল ঠিক করে দেবে, গুজরাতের ভবিষ্যৎ।”

রাহুলের ওজন যে বাড়ছে তা তো তাঁর মুখের কথাতেই স্পষ্ট। এখন দেখার, গুজরাত ভোটের ফলাফলে কংগ্রেসের ওজন কতটা বাড়ে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here