rahul gandhi kerala floods
রয়টার্স ফাইল ছবি

লন্ডন: বিজেপি-বিরোধী জোটের এখন প্রাথমিক লক্ষ্য আগামী লোকসভা নির্বাচনে শাসক দলকে ক্ষমতা থেকে সরানো। কে প্রধানমন্ত্রী হবেন সেটা প্রধান বিচার্য বিষয় নয়। দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর যে ‘আক্রমণ’ মোদী সরকার ২০১৪ থেকে করছে, তার বিরুদ্ধে ‘পালটা লড়াই’ শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও মনে করেন রাহুল।

লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে কথোপকথনে এই কথাগুলি বলেন রাহুল। রাহুলের কথায়, “ভারতবর্ষের মূল ভাবনা আবার জিততে চলেছে। সংবিধান-সহ ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপরেই আক্রমণ করছে মোদী সরকার। সেই আক্রমণ আমরা ঠেকানোর লড়াইয়ে নেমেছি। দেশকে রক্ষা করাই আমার এবং সব বিরোধী দলের মূল লক্ষ্য।”

আরও পড়ুন: ‘পঞ্চায়েত জয়ের’ দিন অন্য এক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য

২০১৯-এর নির্বাচনের আগে বিরোধীদের সঙ্গে নিয়ে জোট তৈরি হবে বলেও জানান রাহুল। তিনি বলেন, “আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য বিজেপির আগ্রাসনকে ঠেকানো। যে বিষ তারা ছড়াচ্ছে সেটাকে বন্ধ করা, সমাজকে যে ভাবে ভাঙা হচ্ছে সেটাকে আবার জোড়া লাগানো। নির্বাচন হয়ে গেলে তখন অন্য ব্যাপারে (কে হবে বিরোধী জোটের প্রধানমন্ত্রী যদি তারা ক্ষমতায় আসে) আলোচনা করা যাবে। কিন্তু যতক্ষণ না বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিচ্ছি, তখন এই ব্যাপারে কোনো আলোচনা করব না।”

৭০ মিনিট ধরে নিজের বক্তব্য রাখেন রাহুল। তাঁর কথায় শ্রোতাদের তরফ থেকে উচ্ছ্বসিত হাততালিও শুনতে পাওয়া যায়। বিজেপির সঙ্গে লড়াইকে মতবাদের লড়াই বলে আখ্যা দিয়ে রাহুল বলেন, “আমার কাছে এটা মতবাদের লড়াই। যাদের মতবাদ আমাদের সঙ্গে মিলবে না, আমরা তাদের সঙ্গে জোট যাব না।” আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন সরাসরি বিজেপি এবং ঐক্যবদ্ধ বিরোধী জোটের মধ্যে হবে বলেও মনে করেন রাহুল।

আরও পড়ুন: মোদীকে ‘ডোকলাম’ খোঁচা রাহুলের

উল্লেখ্য, শনিবারও লন্ডনে আরও কয়েকটি সভা করা কথা রাহুলের। ভারতীয় সাংবাদিক সংগঠনের বক্তৃতার পাশাপাশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষদের নিয়ে একটা বড়ো জনসভাতেও বক্তৃতা দেওয়ার কথা তাঁর।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন