L K Advani
লালকৃষ্ণ আডবাণী। ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: বিজেপির প্রতিষ্ঠাদিবসকে সামনে রেখে দলের প্রবীণ নেতা লালকৃষ্ণ আডবাণীর লেখা সাড়া জাগানো ব্লগ নিয়ে এক গোপন তথ্য ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে। জানা যাচ্ছে, আডবাণী বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছেন, সেখান থেকে তাঁর পক্ষে ওই গভীর অর্থবাহী দীর্ঘাকার ব্লগ লেখা সম্ভব নয়। এ কাজে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন এক ব্যক্তি। কে তিনি?

ওই ব্লগে স্পষ্টতই বোঝা গিয়েছে, কয়েক বছর আগের বিজেপির সঙ্গে বর্তমানে বিজেপির নীতি-আদর্শগত ফারাক আডবাণীর বক্তব্যে উঠে এসেছে। একটি সূত্রের দাবি, এই ব্লগ লেখার কাজে তাঁকে যিনি সহযোগিতা করেছিলেন, তিনি গত ১৯৯১ সাল থেকে আডবাণীর কাছে নিয়মিত যাতায়াত করেন। পেশায় সাংবাদিক ওই ব্যক্তি অতীতে প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী থাকাকালীন আডবাণীর হয়েও ভাষণ লিখতেন। এখনও তাঁর জন্য আডবাণীর দরজা সর্বদা খোলা থাকে। নিয়মিত প্রবীণ বিজেপি নেতার বাড়িতে যান ওই সাংবাদিক।

ওই সূত্রটির দাবি, কংগ্রেসের ইস্তেহার প্রকাশিত হওয়ার পরই ওই সাংবাদিক একটি জাতীয় স্তরের সংবাদ মাধ্যমে ভূয়সী প্রশংসা করে নিবন্ধ লেখেন। আবার ন্যাশনাল হেরাল্ডেও তাঁকে নিবন্ধ লিখতে দেখা যায়। বর্তমানে প্রচ্ছন্ন ভাবে কংগ্রেসের শুভানুধ্যায়ী হিসাবেই পরিচিত সেই সাংবাদিক আডবাণীর ব্লগ লেখায় সাহায্য করেছিলেন।

[ আরও পড়ুন: লোকসভা নির্বাচন ২০১৯: চার রাজ্যের ৭৮ আসনে বিশেষ রণকৌশল কংগ্রেসের ]

উল্লেখ্য, আডবাণীর নিজের কেন্দ্র গান্ধীনগর থেকে এ বারের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রার্থী করেনি দল। উল্টে ওই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ স্বয়ং। এর পরই আডবাণীর ঘনিষ্ঠ মহল থেকে দাবি করা হয়, তাঁর সঙ্গে কোনো আলোচনা না-করেই প্রার্থীতালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় তিনি রুষ্ট হয়েছেন। বিজেপি অবশ্য দাবি করেছে, এ বারের ভোটে ৭৫ বছরের ঊর্ধ্বে কোনো নেতাকে প্রার্থী না-করার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গ্হীত হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তের জেরেই ছাঁটাই হয়েছে আডবাণী-সহ মুরলি মনোহর যোশী, সুমিত্রা মহাজন প্রমুখের নাম।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here