ছবি: ডিএনএ থেকে

নয়াদিল্লি: জাতীয় কংগ্রেস সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী এ বার প্রতারক ব্যবসায়ী বিজয় মাল্যর মহাপলায়ন কাণ্ডের নেপথ্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন। বৃহস্পতিবার রাহুল বলেন, মাল্যর বিরুদ্ধে জারি হওয়া লুক আউট নোটিশকে অক্ষম করে দিয়ে সিবিআইকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছিল খোদ মোদীর নির্দেশে।

Rahul-Gandhi

রাহুল বলেন, “সিবিআইয়ের রিপোর্টে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে মোদীর ভূমিকা। এ ব্যাপারে কোনো দ্বিমত থাকতে পারে না যে, এমন একটা উচ্চপর্যায়ের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্য কেউ লুক আউট নোটিশকে নিষ্ক্রিয় করার নির্দেশ দিতে পারেন”।

Narendra-Modi

যদিও রাহুলের বক্তব্যকে খণ্ডন করে সিবিআইয়ের এক আধিকারিকের দাবি, ৯,১০,১১ ডিসেম্বর, ২০১৫-তে মাল্যকে জেরা করা হয়েছিল। ফলে সিবিআইয়ের জেরার মুখোমুখি হয়েও ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অর্থ প্রতারণায় অভিযুক্ত মদ ব্যবসায়ী যে ভারত ছেড়ে পালাবেন, তা ধারণাতীত।

দু’দিন আগে মাল্য দাবি করেছিলেন, তিনি দেশ ছাড়ার আগে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিষয়টি মিটমাট করে নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। প্রথমত জেটলি সেই সাক্ষাতের প্রসঙ্গটিকে অস্বীকার করলেও গত বৃহস্পতিবার স্বীকার করেন, তিনি যখন সংসদ থেকে বেরোচ্ছিলেন, সেই সময় দৌড়াতে দৌড়াতে মাল্য তাঁর দিকে আসেন। তাঁকে কিছু বলার চেষ্টা করেন। কিন্তু জেটলি তা শুনতে পাননি।

অন্য দিকে কংগ্রেসের দাবি, সংসদের সেন্ট্রাল হল অন্তরঙ্গ অবস্থায় মাল্যকে দেখা গিয়েছে জেটলির সঙ্গে। কংগ্রেসের সাংসদরা সে দৃশ্য দেখেছেন। ঘটনার সত্যতা প্রমাণে গত ১ মার্চ, ২০১৬-র ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষার দাবি তুলেছে বিরোধীরা। একই ভাবে বিজেপি সাংসদ সুব্রহ্মণীয়ম স্বামীও জানিয়েছে, গণদাবি উঠলে অর্থমন্ত্রীর ইস্তফা দেওয়া প্রাসঙ্গিক।


আরও পড়ুন: ৮ বছরের পুরনো মামলায় অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেফতারির নির্দেশ

সব মিলিয়ে এক প্রতারককে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় রাজনীতি দোষারোপ, পাল্টা দোষারোপের খেলায় মত্ত!

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন