আস্থাভোটে জিতেও কর্নাটকের সরকার গঠনে ‘কাঁটা’ বিজেপির

0

ওয়েবডেস্ক: বয়সের কাঁটা। বিজেপির নতুন নিয়ম অনুযায়ী ৭৫ বছরের বেশি হলেও পদে থাকার অধিকার লুপ্ত করা হয়েছে। এই গেরোতেই বিজেপির লৌহপুরুষ লালকৃষ্ণ আডবানি থেকে শুরু করে লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সুমিত্রা মহাজনকে নিয়ে গত লোকসভা ভোটে বিপাকে পড়তে হয়েছিল বিজেপিকে। এ বার কতকটা একই ধরনের কাঁটা ফুটছে কর্নাটকেও।

কর্নাটকের তিন বারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি সভাপতি বি এস ইয়েদ্দিয়ুরাপ্পা অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে আস্থাভোটে কাবু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামীকে।

গত মঙ্গলবার আস্থাভোটে কর্নাটকের কংগ্রেস-জেডিএস জোট সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে। বহুপ্রতীক্ষার পর আস্থাভোটের ফলে দেখা যায়, ক্ষমতাসীন জোট পেয়েছে মাত্র ৯৯টি ভোট। অন্য দিকে বিজেপি পেয়েছে ১০৫টি। স্বাভাবিক ভাবেই ২২৫ আসনের কর্নাটক বিধানসভায় একক ভাবে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। ১৫ জন বিধায়কের ইস্তফাপত্র গৃহীত হল ২১০ আসনের বিধানসভায় ১০৫ জন বিধায়ক নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যাবে বিজেপি। এই অঙ্ককে সামনে রেখে সরকার গঠনের দাবি জানানোর কথাও বলা হয়েছে দলের তরফে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন?

আস্থাভোটের সময় থেকেই বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসাবে প্রচারে ছিল ইয়েদ্দির নাম। কিন্তু সেখানে বিঁধছে বয়সের কাঁটা। ইয়েদ্দি ৭৫ পার করে ৭৬-এ পা দিয়েছেন। তাঁর জন্ম ১৯৪৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি। স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপির সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী তিনি কী ভাবে মুখ্যমন্ত্রী কুরসিতে বসবেন, তা নিয়েই চলছে জোর গুঞ্জন।

বৃহস্পতিবারই কর্নাটক বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের সঙ্গে নয়াদিল্লিতে সাক্ষাৎ করে। তবে এ দিন দিল্লিতে দেখা যায় ইয়েদ্দির ছেলে বিজয়েন্দ্রকেও। তিনি অবশ্য সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানান, “বিজেপি নেতৃত্ব অমিত শাহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন, আমি ব্যক্তিগত কাজে দিল্লিতে এসেছি”।

তবে কর্নাটকের এক বিজেপি নেতা বিষয়টিকে কিছুটা স্পষ্ট করে জানান, “আমরা এখানে দলে উচ্চনেতৃত্বের পরামর্শ নিতে এসেছি। রাজ্য সরকার গঠনের যাবতীয় পরিকল্পনা নিয়ে তাঁদের পরামর্শ মতোই কাজ এগোবে”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.