petrol
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে মোদী-হাওয়া ছিল। সঙ্গে ছিল কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ-র বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তোলার জন্য একাধিক দুর্নীতি-কাণ্ডের নমুনাও। তবে তারই সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর যে জ্বালানি তেলের দামও, সে কথাও অনস্বীকার্য। স্বাভাবিক ভাবেই এ বারের ভোটেও ফলাফল নির্ধারণে সেই জ্বালানি তেলের দাম বড়োসড়ো ভূমিকা নিতে পারে মনে করছেন ্অর্থনীতি বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সরকারি আধিকারিকরাও।

এক নজরে দেখে নেওয়া যেতে ইউপিএ এবং বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জমানায় পেট্রলের দাম এবং ভরতুকির উল্লেখযোগ্য কিছু পরিসংখ্যান-

ইউপিএ এবং এনডিএ জমানায় পেট্রোলের দামের সর্বোচ্চ দু’টি চূড়া
ইউপিএ
২০১২: মুম্বইয়ে লিটার প্রতি ৭৮.৫৭ টাকা/ ভরতুকি – ১,৬১,০২৯ কোটি টাকা/ অপরিশোধিত তেল ১০৭.৯৭ ডলার প্রতি ব্যারেল
২০১৩: মুম্বইয়ে লিটার প্রতি ৮৩.৬২ টাকা/ ভরতুকি – ১,৪৩,৭৩৮ কোটি টাকা/ অপরিশোধিত তেল ১০৫.৫২ ডলার প্রতি ব্যারেল
এনডিএ
২০১৭: মুম্বইয়ে লিটার প্রতি ৭৯.৯৯ টাকা/ ভরতুকি – ২৪,৪৬০ কোটি টাকা/ অপরিশোধিত তেল ৫৬.৫৩ ডলার প্রতি ব্যারেল
২০১৮: মুম্বইয়ে লিটার প্রতি ৯১.৩৪ টাকা/ ভরতুকি – ২৪,৯৩৩ কোটি টাকা/ অপরিশোধিত তেল ৮০.০৮ ডলার প্রতি ব্যারেল

সূত্র: জ্বালানি তেল সরবরাহকারী বিভিন্ন সংস্থা

সংবাদ সংস্থা আইএএনএসের কাছে এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “ইউপিএ এবং এনডিএ সরকারের জমানায় পেট্রল ও ডিজেলের তুলনামূলকভাবে চড়া দামকে শুধু মাত্র খুচরো মূল্যবৃদ্ধির নিরিখে বিচার করা উচিত নয়। উপভোক্তাদের উপর তার প্রভাব কমানোর জন্য সরকার কর্তৃক গৃহীত নীতির দিকগুলির বিষয়েও আলোকপাত করা উচিত। এখানেই এনডিএ সরকারের প্রচেষ্টার অভাব রয়েছে বলে মনে হচ্ছে”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here