ওয়েবডেস্ক: মহারাষ্ট্রের পালঘর লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শেষ হয়ে গিয়েছে গত শনিবার বিকালেই। কারণ, রাত পোহালেই সোমবার ৭‌টা থেকে ভো‌টগ্রহণ। তবে দলীয় ভাবে প্রচার শেষ হলেও মোবাইলের ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপে ঘুরে বেড়াচ্ছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবীশের অডিও টেপ। যা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক পৌঁছেছিল নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত। রাজ্যের দুই শাসক দল শিবসেনা ও বিজেপির মধ্যে এই ভোটযুদ্ধকে গ্যাংওয়ার আখ্যা দেওয়া হয়েছে মহারাষ্ট্র কংগ্রেসেরে তরফে। পাশাপাশি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অশোক চহ্ব্যন দাবি করেছেন, পালঘরে শুধু বিজেপি আর শিবসেনার লড়াই হচ্ছে না।

পালঘরের প্রাক-নির্বাচনী বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বারবার উঠে এসেছে ওই লোকসভা্ কেন্দ্রের অন্তর্গত এক বিপুল সংখ্যক আদিবাসী এবং কৃষকের কথা। পালঘর বলতে মহারাষ্ট্রের মানুষ বোঝেন সারি সারি পেঁপে বাগান আর সবুজ ক্ষেত। দাহানু, বিক্রমগড়, পালঘর, বৈসার, নালাসোপারা এবং ভাসাই বিধানসভা নিয়ে গঠিত এই লোকসভায় ভোটারের সংখ্যা প্রায় ১৭ লক্ষ। যার মধ্যে সিংহভাগের মূল জীবিকা কৃষিকাজ।

পালঘর লোকসভার ছ’টি বিধানসভার মধ্যে তিনটি দখলে রেখেছে বহুজন বিকাশ আগাধি, দু’টি বিজেপির এবং বাকি একটি শিবসেনার। স্বাভাবিক ভাবেই বিধানসভাগত ভাবেই এই লড়াইয়ের মধ্যমণি যে বহুজন বিকাশ আগাধি, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু ২০১৪ মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-শিবসেনা-আগাধির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অন্য রকম অঙ্ক কাজ করেছিল। যেখানে সিপিএম দাহানু কেন্দ্রে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। তবে ২০০৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছিলেন সিপিএম প্রার্থী রাজারাম ওজারে।

আরও পড়ুন: পালঘর লোকসভা নির্বাচনে কৃষক-আদিবাসী ভোটই হতে চলেছে নির্ণায়ক শক্তি

স্বাভাবিক ভাবেই পালঘরের উপনির্বাচনে যে এ বারের সিপিএম পার্থী কিরণ গাহালা যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেবেন সে বিষয়ে নিশ্চিত মহারাষ্ট্র কংগ্রেসও। অশোক চহ্ব্যণ বলেছেন, দেখে মনে হচ্ছে পালঘরের নির্বাচন যেন শুধু দু’টি দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। এখানে কংগ্রেস, সিপিএম এবং বহুজন বিকাশ আগাধিও রয়েছে।

(ছবি সৌজন্যে হিন্দুস্তান টাইমস)

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here