“কেন আমাদের ফাঁসি হচ্ছে”? বেদ, পুরাণ এবং উপনিষদ উদ্ধৃত করে সুপ্রিম কোর্টকে প্রশ্ন নির্ভয়াকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্তের

0
nirbhaya case
ছবি: ডিএনএ ইন্ডিয়া থেকে

ওয়েবডেস্ক: দু’বছর আগেই শীর্ষ আদালত মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির নির্ভয়াকাণ্ডের চার আসামিকে। মঙ্গলবার মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে একটি পুনর্বিবেচনার আর্জি দায়ের করেছে ২০১২ সালে গণধর্ষণ ও হত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়া চার আসামির মধ্যে একজন অক্ষয়কুমার সিং।

৩২ বছর বয়সি অক্ষয় তার আবেদনে সুপ্রিম কোর্টকে জিজ্ঞাসা করেছে, “যখন জীবন ইতিমধ্যে সংক্ষিপ্ত হচ্ছে তখন শাস্তি হিসাবে মৃত্যুদণ্ডকে ধার্য করা হচ্ছে”। তার আবেদনে বেদ, পুরাণ এবং উপনিষদকে উল্লেখ করে যুক্তি হিসাবে বলা হয়েছে, “সত্যযুগে একটি সময় ছিল, যখন লোকেরা দীর্ঘকাল বেঁচে থাকত। কিন্তু এখন আর সেটা হয় না”।

অক্ষয় সিংয়ের আর্জিতে দিল্লির বায়ু দূষণ এবং অপরিষ্কার জলের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, “জল ও বাতাসের বিষয়ে দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকায় কী ঘটছে সে সম্পর্কে সকলেই অবগত। জীবন সংক্ষিপ্ত থেকে সংক্ষিপ্ততর হয়ে যাচ্ছে, তবে মৃত্যুদণ্ড কেন?”

অক্ষয়কুমার সিং

এমনও বলা হয়েছে, “মৃত্যুদণ্ড হল ন্যায়বিচারের নামে রাষ্ট্র কর্তৃক একজন মানুষকে ঠান্ডা মাথায় হত্যার সমান”। ওই আবেদনে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় পদ্ধতিগত সংস্কার চাওয়া হয়েছে এবং যুক্তি দেওয়া হয়েছে, “কার্যকর প্রতিরোধকারী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল, শাস্তির তীব্রতা নয়”।

প্রসঙ্গত, দিল্লিতে নির্ভয়া গণধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ডে ফাঁসির সাজা হয়েছে অক্ষয় ঠাকুর, বিনয় শর্মা, পবন গুপ্তা এবং মুকেশ সিংহ নামে চারজনের। তাদের মধ্যে থেকেই পবন গুপ্তা নামে এক আসামিকে মন্ডোলি জেল থেকে তিহাড় জেলে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.