ওয়েবডেস্ক : ৬৯তম সাধারণতন্ত্র দিবসের তোড়জোড় চলছে জোরকদমে। রাজধানী থেকে রাজ্য- দেশের সর্বত্রই সমান উদ্দীপনা এই দিনটিকে ঘিরে। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি স্বাধীন ভারতের সংবিধান কার্যকর হয়। বিভিন্ন দেশের নীতি সম্বলিত এই সংবিধান হল বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ সংবিধান। সংবিধান পরিকল্পনা করেছিলেন ডঃ ভীম রাও অম্বেদকর। সংবিধান অনুযায়ী ভারত হল একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্ম নিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রিক দেশ। এই সংবিধান দেশের নাগরিকদের ন্যায়বিচার, সমতা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করে এবং তাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বকে উৎসাহিত করার চেষ্টা করে।

১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন হওয়ার পর ভারত সরকারের ১৯৩৫ সালের নিয়মবিধি বাতিল করে দেওয়া হয়। ২৮ আগস্ট একটি খসড়া রচনাকারী কমিটি গঠন করা হয়। নতুন সংবিধান গড়ে তোলার জন্য এই কমিটির ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত হয়। অবশেষে ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর নতুন সংবিধান গৃহীত হয়। তার পর তা কার্যকর হয় পরের বছর ২৬ জানুয়ারি থেকে।

আরও পড়ুন ঃ প্রথমবার সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথে নামবে বিএসএফ-এর মহিলা বাইকবাহিনী

এর পর থেকেই এই দিনটি জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। নানান উৎসবের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয় এই দিনটি। রাষ্ট্রপতি ইন্ডিয়া গেটে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে মূল সরকারি অনুষ্ঠানের সূচনা করেন।

মূল অনুষ্ঠানটি হয় দিল্লির রাজপথে। সেখানে কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে দেশের সীমান্ত, নৌ, বিমানবাহিনী। থাকে নিরাপত্তারক্ষীবাহিনী, পুলিশ বাহিনী, বিভিন্ন রাজ্যের ট্যাবলো, বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের অনুষ্ঠানও। এই অনুষ্ঠনাটির মাধ্যমে দেশের সমৃদ্ধি আর বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ ছাড়া দেশের প্রত্যেক সরকারি ভবনে পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত, দেশাত্মবোধক গান গাওয়া হয়। করা হয় মিষ্টি মুখও।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন