Bite
ছবি: প্রতীকী, ইন্টারনেট থেকে

ভেলোর: প্রেমিকের সঙ্গে দেখে ফেলার পর ধস্তাধস্তির সময় স্বামীর পুরুষাঙ্গে কামড় বসানোর অভিযোগে ৪৫ বছরের এক বিবাহিত মহিলাকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ভেলোর জেলার গুড়িয়াথামের কাছে থুরাইমুলাইগ্রামে এই ঘটনায় বিস্মিত পুলিশও।

পুলিশ জানিয়েছে, জয়ন্তী নামে ওই মহিলার বিরুদ্ধে খুনের উদ্দেশে হামলার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত সোমবার। পুরুষাঙ্গ থেকে গলগল করে রক্ত বের হতে দেখে কয়েকজন সেন্থামারাই নামে ওই মহিলার স্বামীকে স্থানীয় ভেলোর গভর্নমেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার উন্নতি না হলে তাঁকে ভর্তি করা হয় চেন্নাইয়ের রাজীব গান্ধী গভর্নমেন্ট মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালে।

পেশায় কৃষক সেন্থামারাইয়ের বয়স বছর ৫৫। গত রবিবার স্ত্রীকে নিয়ে একটি উৎসব উপলক্ষে যাত্রা দেখতে যান সেন্থামারাই। কিছুক্ষণ যাত্রা দেখার পর জয়ন্তী ভিড়ের মাঝখান থেকে উপশম পাওয়ার অজুহাতে বাইরে যান। কিন্তু ঘণ্টাখানেক সময় পার হলেও তিনি ফিরে আসেননি। রাত তখন দেড়টা। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত স্বামী খুঁজতে যান জয়ন্তীকে। কিছুটা যাওয়ার পরই একটি নির্জন জায়গায় সেন্থামারাই দেখেন, প্রতিবেশী এক গ্রামবাসীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় রয়েছেন জয়ন্তী। সেন্থামারাই প্রতিবাদ করেন, শুরু হয় ধস্তাধস্তি। কিছুক্ষণের মধ্যেই জয়ন্তী কামড় বসান সেন্থামারাইয়ের পুরুষাঙ্গে।

চিৎকার-চেঁচামেচিতে ছুটে আসেন গ্রামবাসীরা। এসে দেখেন সেন্থামারইয়ের নিম্নাঙ্গ রক্তে ভেসে যাচ্ছে। তৎক্ষণাৎ তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়। এক গ্রামবাসী জানিয়েছেন, সেন্থামারাই ধুতি পরেছিলেন। ফলে খুব সহজেই টান মেরে তাঁর পরনের ধুতি খুলে ফেলেন জয়ন্তী। এর পর পুরুষাঙ্গের একাধিক জায়গা দাঁতের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করে দেন। লোকজন জড়ো হওয়ার আঁচ পেতেই নিজের প্রেমিককে নিয়ে সেখান থেকে চম্পট দেন জয়ন্তী।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে সেন্থামারাইয়ের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। অন্য দিকে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, জয়ন্তীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৪(বি) , ৩২৪ এবং ৩০৭ ধারায় অভিযোগ রুজু করা হয়েছে। পাশাপাশি জয়ন্তীর প্রেমিকের মোবাইল টাওয়ার থেকে তাঁকেও ধরার চেষ্টা করছে পুলিশ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন