bala

তিরুনেলভেলি: তিনি আঁকা থামাবেন না, বরং সরকারের অদক্ষতা তাঁর কার্টুনের মধ্যে দিয়েই ফুটিয়ে তুলবেন। গ্রেফতারির পরের দিনই জামিন পেয়ে জানিয়ে দিলেন তামিল কার্টুনিস্ট বালকৃষ্ণন ওরফে বালা।

মহাজনকে সুদ দিতে দিতে বিপর্যস্ত হয়ে সপরিবার আত্মহত্যা করেন এক দিনমজুর। তিরুনেলভেলির কালেক্টরের দফতরের ক্যাম্পাসে তিনি নিজে, স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগান। স্ত্রী ও দুই মেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। দিনমজুরটি মারা যান দু’দিন পর। রাজ্য সরকারের উদাসীনতার বিরুদ্ধে তাঁর ফেসবুক পেজে একটি কার্টুন আঁকেন। তাতে দেখা যায়, একটি শিশু আগুনে পুড়ে মারা যাচ্ছে। আর সেটা উলঙ্গ অবস্থায় দাঁড়িয়ে দেখছেন কমিশনার, কালেক্টর ও মুখ্যমন্ত্রী। তিন জনই তাঁদের গোপনাঙ্গ টাকার নোট দিয়ে ঢেকে রেখেছেন।

এই কার্টুনের জন্য রবিবার চেন্নাইয়ে তাঁর বাসস্থান থেকে গ্রেফতার করা হয় বালাকে। সোমবার তিরুনেলভেলির জেলা আদালতে তাঁকে পেশ করা হলে জামিন পেয়ে যান বালা। জামিন পেয়েই তিনি জানিয়ে দেন, সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিবাদ কার্টুনের মাধ্যমেই চলতে থাকবে। তিনি বলেন, “আমি একজন সাংবাদিক। আমি কাউকে খুন করিনি। যা করেছি তার জন্য বিন্দুমাত্র দুঃখিত নই। সরকারের অদক্ষতার বিরুদ্ধে আমার প্রতিবাদ এ রকম ভাবেই চলতে থাকবে।”

তবে বালার কার্টুনের লক্ষ্য কে শুধু এআইএডিএমকে, তা ভাবা ভুল। ২০১৪-তে ডিএমকে প্রধান করুণানিধিকে নিয়েও কার্টুন এঁকে বিদ্রুপের পাত্র হয়েছিলেন বালা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here