Pnb Fraud
ফাইল ছবি

ওয়েবডেস্ক: ব্যাঙ্ক রাষ্ট্রায়ত্তকরণ আইন অনুযায়ী, প্রত্যেক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের পরিচালন পর্ষদে থাকার কথা একজন ওয়ার্কম্যান অথবা অফিসার ডিরেক্টরের। যাঁর প্রধান কাজ, পর্ষদ বা পরিচালন মণ্ডলীর যে কোনো কাজে নজরদারি চালানো। যে কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার আগে তিনি অবশ্যই সেই সিদ্ধান্তের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিবেচনা করে দেখবেন। কিন্তু পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ১১,৫০০ কোটি টাকা জালিয়াতি মামলা প্রকাশ্যে আসার পর জানা যাচ্ছে, পিএনবি তো নয়-ই, এ মুহূর্তে দেশের ২০টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের একটিতেও ওই নজরদার আধিকারিক নেই।

পিএনবি থেকে শেষ অফিসার ডিরেক্টর অবসর নেন ২০১৬ সালের মার্চ মাসে। কিন্তু আইন অনুযায়ী ওই পদে আধিকারিক নিয়োগ বাধ্যতা মূলক হলেও কর্তৃপক্ষ তা মানেননি কেন? শুধু পিএনবি নয়, সব মিলিয়ে ২০টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক কেন বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলেছে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশকে? সরকারি ভাবেই বা কেন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি? উঠছে এমন সব হাজারো প্রশ্ন।

আইন অনুযায়ী, যে কোনো রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কেই এই পদটিতে নিয়োগের প্রক্রিয়া পরিচালনা করে খোদ কেন্দ্র। সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের মনোনীত কর্মীকে ওই পদে নিয়োগের মাধ্যমে তাঁকে বোর্ড অব ডিরেক্টর করা হয়ে থাকে। পিএনবি-তে যে প্রায় তিন বছর ধরে ওই পদ শূন্য হয়ে পড়ে রয়েছে, তার কোনো খোঁজখবর কি কেন্দ্রের কাছে ছিল না?

অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সি এইচ ভেঙ্কটচলম জানিয়েছেন, ব্যাঙ্ক রাষ্ট্রায়ত্তকরণ আইন অনুয়ায়ী, তিন বছরের মেয়াদে একজন ওয়ার্কম্যান ডিরেক্টর নিয়োগ বাধ্যতা মূলক। কিন্তু শেষ তিন বছর ধরে ওই ২০টি ব্যাঙ্ক ওই পদ শূন্য রেখেও বহাল তবিয়তে চালিয়ে যাচ্ছে। আদতে ওই নিয়োগ বন্ধ করে পদটিকেই মুছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

এই সম্পূর্ণ ঘটনার কথা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে দীর্ঘ দিন ধরে জানিয়েও কোনো কাজ হয়নি বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন