“এমনটা আগে জানলে সানিকে ভোটে লড়তে দিতাম না!” কেন এমন কথা বললেন ধর্মেন্দ্র?

0

ওয়েবডেস্ক: পঞ্জাবের গুরদাসপুর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন ছেলে সানি দেওল। কিন্তু বাবা ধর্মেন্দ্র মনে করেন, একটা তথ্য যদি আগে থেকে জানতেন, তা হলে সানিকে ভোটে লড়তে নিষেধ করতেন।

কী সেই তথ্য?

ওই কেন্দ্রে সানির বিরুদ্ধে লড়ছেন ওই কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ কংগ্রেসের সুনীল জাখর। তাঁর বাবা বলরাম জাখরের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ধর্মেন্দ্রর। সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ধর্মেন্দ্র বলেন, “বলরাম জাখর আমার বন্ধু এবং ভাইয়ের মতো। আমি যদি আগে জানতাম যে তার ছেলে সুনীলকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস, তা হলে সানিকে ভোটে লড়তে নিষেধ করতাম।”

উল্লেখ্য, গত মাসে বিজেপিতে যোগদানের পরেই তাঁকে প্রার্থী করেছে গেরুয়া শিবির। দেওল পরিবার থেকে সানি তৃতীয় ব্যক্তি যিনি ভোটে লড়ছেন। এর আগে বিজেপির টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছেন খোদ ধর্মেন্দ্র। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের মথুরার বিদায়ী সাংসদ তথা এ বারের প্রার্থী সানির সৎমা হেমা মালিনী।

গুরদাসপুরে ছেলের হয়ে প্রচার করেছেন ধর্মেন্দ্র কিন্তু ভোটের আগে থেকেই কার্যত কংগ্রেসের কাছে হার স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। এমনটা তাঁর বক্তব্য থেকে উঠে আসছে। তিনি বলেন, “সুনীল একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। সানি ওর বিরুদ্ধে কোনো বিতর্কেই যেতে পারবে না।”

আরও পড়ুন বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক এবং ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে ভিন্নধর্মী বক্তব্য সানি দেওলের

তবে শুধু ধর্মেন্দ্রই নন, গত সপ্তাহে সানিও এই রকম কিছু মন্তব্য করছিলেন। তিনি বলেন, “বালাকোট অভিযান বা ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক নিয়ে আমি কিছুই বলতে পারব না। আমি মানুষের সেবা করতে এসেছি। যদি জিতি, তা হলে নিজের মত প্রকাশ করব।”

এমনিতে গুরদাসপুর বিজেপির শক্তঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ১৯৯৮, ১৯৯৯, ২০০৪ এবং ২০১৪-তে এখানে বিজেপির টিকিটে জিতেছেন বিনোদ খান্না। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর পর এখানে উপনির্বাচন হয় ২০১৭-তে। সেই নির্বাচনে জিতে এখান থেকে সাংসদ হল সুনীল জাখর। এ বার কী হয়, সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here